আজ (বুধবার, ১৫ এপ্রিল) বাংলাদেশ সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি তুলে ধরতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. জাহেদ উর রহমান আরও জানান, এই কর্মসূচির আওতায় প্রান্তিক, ক্ষুদ্র ও মাঝারি কৃষকেরা বছরে দুই হাজার টাকা করে প্রণোদনা পাবেন। পাশাপাশি কৃষিঋণ প্রাপ্তির ক্ষেত্রেও এই কার্ড কার্যকর হবে। এ খাতে উন্নয়ন বাজেট থেকে এক হাজার ১৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
আরও পড়ুন:
তিনি বলেন, ‘এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের জন্য ১০ ধরনের সুবিধা দেয়া হবে; যার মধ্যে নগদ সহায়তা, বীজসহ কৃষি উপকরণ প্রদান উল্লেখযোগ্য। এটি একটি পাইলট প্রকল্প হওয়ায় সবাইকে তা বোঝা প্রয়োজন। অনেকেই ব্যক্তিগতভাবে কৃষক কার্ড পাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করছেন, তবে ধাপে ধাপে এটি সবার কাছে পৌঁছে দেয়া হবে।’
ডা. জাহেদ বলেন, ‘সরকার দুর্যোগ মোকাবিলা সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং কৃষি খাতে সহায়তা জোরদারে একসঙ্গে কাজ করছে। ভূমিকম্পসহ বিভিন্ন দুর্যোগের ঝুঁকি কমাতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো, হ্যাজার্ড ম্যাপিং, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং এসব খাতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাজেট বরাদ্দের ওপর গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘ভবন নির্মাণে বিল্ডিং কোড কঠোরভাবে বাস্তবায়নের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ অবকাঠামো পুনর্নির্মাণ এবং পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থাও সম্প্রসারণ করা হচ্ছে।’ এসব পদক্ষেপ প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে গৃহীত হয়েছে এবং বিষয়টিকে সরকার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছে বলেও জানান তিনি।





