বিমানবন্দরে নিহত তারেক আলীর মরদেহ গ্রহণ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী। গত ১ মার্চ বাহরাইনে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষের আঘাতে নিহত হন তারেক আলী।
আরও পড়ুন:
তিনি দীর্ঘ ২৭ বছর ধরে বাহরাইনের ‘দ্রাইডক’ নামক একটি শিপইয়ার্ড কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। তার বাড়ি চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার আজিমপুর ইউনিয়নে।
এর আগে বৃহস্পতিবার বাহরাইনের রাজধানী মানামার কানু মসজিদে তারেক আলীর প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে বাহরাইনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত রইস হাসান সরোয়ারসহ দূতাবাসের কর্মকর্তারা এবং বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি অংশ নেন।





