তীব্র জ্বালানি সংকটে রাজধানীর ফিলিং স্টেশনগুলোতে দেখা গেছে দীর্ঘ লাইন। ভোগান্তির শিকার শুধু সাধারণ মানুষই নয়, সংসদ অধিবেশনে আসা সদস্যদের গাড়ি ও পুলিশের পিকআপ ভ্যানকেও দাঁড়াতে দেখা গেছে লম্বা সারিতে।
দীর্ঘ ৪ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়ানো এক ড্রাইভার জানালেন ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। প্রশ্ন রাখলেন, জ্বালানি সংকট নিয়ে কারা সত্য কথা বলছেন, সরকার নাকি পাম্প মালিকরা।
এ ড্রাইভারের ভাষ্যে— কেন এই জ্বালানি ঘাটতি, তা জনগণ জানতে চায় এবং জনগণকে তা জানাতে হবে। তার মতে, এরকম পরিস্থিতিতে মধ্যবিত্তরা ব্যাপক ভোগান্তিতে পড়েন।
শুধু তিনিই নয়, অন্যান্য ড্রাইভারদের চোখে-মুখে ক্লান্তি আর হতাশা। জ্বালানির সংকট সৃষ্টিতে সিন্ডিকেটের প্রভাবকেও দুষলেন তারা।
আরও পড়ুন:
ড্রাইভাররা বলছেন, সরকার থেকে বলা হচ্ছে কোনো সরবরাহ সংকট নেই, তারপরও কেন এই সংকট। এই সমস্যা সমাধানে এত দেরি হওয়ার কারণও জানতে চান তারা। এর আগে কখনো এমন পরিস্থিতি দেখেননি বলেও জানান কেউ কেউ। অফিস শেষে তেল নিতে লাইনে দাঁড়ানো কেউ কেউ আবার শোনালেন তাদের হতাশার কথা।
তবে স্টেশন মালিকদের মুখে শোনা গেল ভিন্ন কথা। তারা বলছেন, রাজধানীর অধিকাংশ পাম্পগুলো বন্ধ থাকায় বেড়েছে ভিড়। অনেকেই মতামত দিচ্ছেন, সরকারের কাছে তেলের মজুত থাকলেও নির্ধারিত সময়ে তাছাড়া হচ্ছে না।
স্টেশন মালিকরা জানান, সরকার সাপ্লাই না দিলে তাদের কিছু করার নেই। তাদের যেটুকু সাপ্লাই দেয়া হচ্ছে, তারা সেই পরিমাণই সাপ্লাই দিচ্ছেন বলেও দাবি তাদের। বেশিরভাগ পাম্পে তেল না থাকায় এক-দুটি পাম্পে সবাই জড়ো হচ্ছেন এবং এতে ভিড় তৈরি হচ্ছে বলেও জানান তারা।
এদিকে সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী জানান, রাশিয়া থেকে ৬ লাখ টন তেল আসছে এবং ইন্দোনেশিয়ার মালয়েশিয়া নাইজেরিয়া থেকেও তেল আমদানির চেষ্টা চলছে।





