হাম কেন বিপজ্জনক? (Why Measles is Dangerous?)
হামকে কেবল সাধারণ সর্দি-জ্বর ভেবে ভুল করা জীবনঘাতী হতে পারে। অপুষ্টিতে ভোগা শিশুদের জন্য এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। হামের ফলে শিশুদের শরীরে নিম্নলিখিত জটিলতা দেখা দিতে পারে:
- তীব্র নিউমোনিয়া (Severe Pneumonia): ফুসফুসের সংক্রমণ যা শ্বাসকষ্ট তৈরি করে।
- মস্তিষ্কের প্রদাহ (Encephalitis): যা শিশুর স্নায়বিক ক্ষতির কারণ হতে পারে।
- ডায়রিয়া ও পুষ্টিহীনতা (Diarrhea and Malnutrition): শরীর দ্রুত পানিশূন্য ও দুর্বল হয়ে পড়ে।
হামের লক্ষণসমূহ (Symptoms of Measles)
শিশুর মধ্যে হামের সংক্রমণ ঘটেছে কি না, তা বোঝার জন্য নিচের লক্ষণগুলো খেয়াল করুন:
১. প্রাথমিক লক্ষণ: প্রচণ্ড জ্বর (High fever), অনবরত কাশি (Persistent cough) এবং নাক দিয়ে পানি পড়া (Runny nose)।
২. চোখের সমস্যা: চোখ লাল হয়ে যাওয়া (Red eyes) এবং আলোর দিকে তাকালে অস্বস্তি বোধ করা।
৩. র্যাশ বা ফুসকুড়ি: কয়েক দিন পর মুখমণ্ডল থেকে শুরু করে সারা শরীরে লালচে ছোট ছোট ফুসকুড়ি (Reddish skin rash) ছড়িয়ে পড়া।
আরও পড়ুন:
প্রতিরোধ ও সুরক্ষার উপায় (Prevention and Protection)
হাম থেকে শিশুকে বাঁচাতে বিশেষজ্ঞদের দেওয়া পরামর্শগুলো হলো:
টিকাদান (Vaccination): নির্দিষ্ট সময়ে শিশুকে এমএমআর (MMR - Measles, Mumps, Rubella) টিকা দেওয়া নিশ্চিত করুন। এটিই হাম প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর হাতিয়ার।
আলাদা রাখা (Isolation): আক্রান্ত শিশুকে সুস্থ শিশুদের থেকে অন্তত ৮-১০ দিন আলাদা রাখুন, কারণ এটি দ্রুত ছড়ায় (Highly contagious)।
দ্রুত চিকিৎসা (Early Treatment): জ্বরের সঙ্গে শরীরে র্যাশ দেখা দিলে দেরি না করে নিকটস্থ সরকারি হাসপাতাল বা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের (Pediatrician) পরামর্শ নিন।
আক্রান্ত প্রধান জেলা (High Risk Districts) প্রধান লক্ষণ (Major Symptoms) প্রতিরোধক (Prevention) রাজশাহী ও ঢাকা তীব্র জ্বর ও কাশি এমএমআর (MMR) টিকা চট্টগ্রাম ও ময়মনসিংহ চোখ লাল হওয়া ও র্যাশ আইসোলেশন (আলাদা রাখা) পাবনা, যশোর ও নাটোর নাক দিয়ে পানি পড়া চিকিৎসকের পরামর্শ
আরও পড়ুন:





