প্রতিরোধ আর প্রতিবাদের দিনলিপি মার্চের প্রতিটি দিন। গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস আর গল্প-গাঁথায় ভরা।
মার্চ স্বাধীনতার সূতিকাগার। একই সাথে সাক্ষী গণহত্যার কালো অধ্যায়ের। হানাদার বাহিনীর নির্মম হত্যাযজ্ঞে সমস্ত বাংলাদেশ হয়ে ওঠে যেন এক শকুন তাড়িত শশ্মান ভূমি।
ভয়াল ২৫ মার্চ, ১৯৭১। পাকিস্তানি সেনাদের গণহত্যার কালো অধ্যায় রচিত হয় বাংলায়। অপারেশন সার্চলাইটের নামে নিরস্ত্র, ঘুমন্ত বাঙালি হত্যায় মেতে ওঠে তারা। শোষকদের নিধনযজ্ঞ চলে রাজারবাগ পুলিশ লাইন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ শহরের বিভিন্ন জায়গায়।
মুক্তিযুদ্ধের সাথে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এখান থেকেই শুরু হয় প্রতিরোধ আর সংগ্রামের গল্প-গাঁথা। আর তাই হানাদারদের প্রধান আক্রমণের লক্ষ্য ছিল এখানে।
আরও পড়ুন:
মার্চের কালরাত্রিতে সবচেয়ে বেশি হত্যাযজ্ঞ চালানো হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলে। বাদ যায়নি রোকেয়া হল ও সার্জেন্ট জহুরুল হক হলও। পাক সেনাদের গুলি আর আগুনের লেলিহান শিখায় বিভীষিকাময় হয়ে ওঠে এখানকার আকাশ-বাতাস।
স্মৃতিস্তম্ভের নামফলকগুলোতে আজও জ্বলজ্বলে শহিদদের নাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক, কর্মচারীদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে ৫৪ বছরের স্বাধীন ভূ-খণ্ড। মুক্তিযুদ্ধের শপথে বলীয়ান হয়ে প্রজন্মের মাঝে সে রক্তাক্ত ইতিহাস চিরন্তন হয়ে থাকবে বলে আশাবাদ।
শ্রদ্ধায়-স্মরণে ইতিহাসের কালো অধ্যায় ফিরে ফিরে আসে। দেশবিরোধী অপশক্তির হাত থেকে দায়মুক্ত হয়ে এগিয়ে যাবে আগামীর বাংলাদেশ। মন্তব্য বিশ্লেষকদের।
বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনকে মুছে দিতে গণহত্যার যে নির্মম ইতিহাস রচিত হয়েছিলো তা নতুন প্রজন্মের মানস-পটে স্মৃতি হয়ে থাকবে যুগ থেকে যুগান্তরে। শহীদের নামফলক ইতিহাসের উজ্জ্বল সাক্ষী হয়ে পথ দেখাবে আলোর।





