২৫ মার্চ
২৫ মার্চ: গণহত্যার ৫৪ বছর, স্মরণে ও শ্রদ্ধায় ইতিহাসের কলঙ্কময় অধ্যায়

২৫ মার্চ: গণহত্যার ৫৪ বছর, স্মরণে ও শ্রদ্ধায় ইতিহাসের কলঙ্কময় অধ্যায়

২৫ মার্চ কালরাত। বাংলাদেশের ইতিহাসে নৃশংসতম গণহত্যার কলঙ্কময় দিন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজারবাগ পুলিশ লাইনসহ ঢাকার বিভিন্ন স্থানে পাকিস্তানি হানাদারদের নির্বিচার হত্যাযজ্ঞের ক্ষত যেন এখনো দগদগে। স্বাধীনতার ৫৪ বছর পেরিয়ে বাঙালির সেই রক্তাক্ত ইতিহাস চিরন্তন হয়ে থাকবে প্রজন্মের মাঝে। দেশবিরোধী সব অপশক্তির কবল থেকে মুক্ত হয়ে অক্ষুণ্ণ থাকবে স্বাধিকার আন্দোলনের ইতিহাস-প্রত্যাশা বিশ্লেষকদের।

ভয়াল ২৫ মার্চের কালরাত আজ

ভয়াল ২৫ মার্চের কালরাত আজ

সেই ভয়াল ২৫ মার্চের কালরাত আজ। ১৯৭১ সালের এ রাতেই বাংলার বুকে নেমে এসেছিল মৃত্যুর ঘনতমসা। পৃথিবীর ইতিহাসের নৃশংসতম হত্যাযজ্ঞের একটি ঘটেছিল আমাদের এই প্রিয় জন্মভূমিতে। রাতের অন্ধকারে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী হিংস্র হায়েনার মতো বর্বর শক্তি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল নিরীহ-নিরস্ত্র স্বাধীনতাকামী বাঙালি জনগণের ওপর।

'৭১ এর মতোই '২৪ এর আন্দোলনও ছিল বৈষম্যের বিরুদ্ধে

'৭১ এর মতোই '২৪ এর আন্দোলনও ছিল বৈষম্যের বিরুদ্ধে

বাঙালির মুক্তিসংগ্রামের পথ চিরতরে বন্ধ করতে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ ঘুমন্ত মানুষের ওপর গণহত্যা শুরু করে ইয়াহিয়া বাহিনী। পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের নাম দেওয়া হয় 'অপারেশন সার্চলাইট'। সরকারি তথ্য বলছে, এক রাতেই শহীদ হন প্রায় ১০ হাজার মানুষ। ৭১'র মতোই '২৪ এর আন্দোলনও ছিল বৈষম্যের বিরুদ্ধে, যা একই সূত্রে গাঁথা। দুই প্রেক্ষাপটে হলেও শুরুটা হয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।

আজ ভয়াল ২৫ মার্চ, গণহত্যা দিবস

আজ ভয়াল ২৫ মার্চ, গণহত্যা দিবস

আজ ভয়াল ২৫ মার্চ, গণহত্যা দিবস। বাঙালি জাতির জীবনে ১৯৭১ সালের এইদিন শেষে এক বিভীষিকাময় ভয়াল রাত নেমে এসেছিল। এদিন মধ্যরাতে বর্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী তাদের পূর্ব পরিকল্পিত অপারেশন সার্চ লাইটের নীলনকশা অনুযায়ী বাঙালি জাতির কণ্ঠ চিরতরে স্তব্ধ করে দেয়ার ঘৃণ্য লক্ষ্যে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে নিরস্ত্র বাঙালীদের ওপর অত্যাধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে।