স্ট্যাটাসে ডা. শফিকুর রহমান লেখেন, বাংলাদেশ একসময় নদীমাতৃক দেশ হিসেবে পরিচিত ছিল। তখন নদীপথে যাতায়াত, পণ্য পরিবহন ও কৃষিক্ষেত্রে নদীগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখত। পাশাপাশি মৎস্যসম্পদ বৃদ্ধি, জমির উর্বরতা বজায় রাখা এবং বর্ষা মৌসুমে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ থাকায় বন্যার ঝুঁকিও তুলনামূলক কম ছিল।
তিনি লেখেন, স্বাধীনতার পর একদিকে ফারাক্কা বাঁধ এবং অন্যদিকে বিভিন্ন নদী, খাল ও বিল ভরাট হয়ে যাওয়ায় দেশের নদীগুলোর স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। ফলে বর্ষাকালে অকাল বন্যা দেখা দেয়, আবার শুষ্ক মৌসুমে অনেক নদী প্রায় পানিশূন্য হয়ে পড়ে। এতে নৌ-চলাচল, কৃষি ও নগরজীবনে বিরূপ প্রভাব পড়ছে।
আরও পড়ুন:
জামায়াত আমির আরও লেখেন, দেশের প্রধান নদীগুলোতে পর্যাপ্ত ড্রেজিং করে নাব্যতা ফিরিয়ে আনা এখন সময়ের দাবি। তবে অতীতে ড্রেজিং বা নদী সংস্কারের নামে বাজেট বরাদ্দ হলেও অনেক ক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত সুফল পাওয়া যায়নি। কারণ লুটপাটতন্ত্র ছিল তখন শাসকদের মূলনীতি।
তিনি লেখেন, এ ধরনের কর্মসূচিতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি। দেশবাসীর আমানত সর্বোত্তম পন্থায় স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজে লাগানো সরকারের দায়িত্ব। সরকার মূলত দেশবাসীর পক্ষে সকল কর্মকাণ্ডে ব্যবস্থাপকের ভূমিকা পালন করবে।
আরও পড়ুন:
ডা. শফিকুর রহমান মন্তব্য করেন, খাল খননের প্রকৃত সুফল তখনই পাওয়া যাবে, যখন দেশের নদীগুলোও তাদের নাব্যতা ফিরে পাবে। অন্যথায় শুধু খাল খনন করে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া কঠিন হবে।
এর আগে, সোমবার দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বলরামপুর সাহাপাড়া এলাকায় ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সরকার জানিয়েছে, আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের পরিকল্পনা রয়েছে।





