জ্বালানির দাম বাড়ায় দেশের আমদানিনির্ভর মূল্যস্ফীতি বাড়তে পারে: সিপিডি

সিপিডির বৈঠক
সিপিডির বৈঠক | ছবি: সংগৃহীত
0

জ্বালানির দাম বাড়ায় বাংলাদেশের আমদানি বিল বৃদ্ধি ও আমদানি-নির্ভর মূল্যস্ফীতি বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। আজ (মঙ্গলবার, ১০ মার্চ) রাজধানীর ব্র্যাক ইন সেন্টারে বেসরকারি সিপিডি আয়োজিত ‘২০২৬-২৭ অর্থ বছরের বাজেট সুপারিশালা’ শীর্ষক বৈঠকে এ তথ্য জানানো হয়। বৈঠকে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন।

ফাহমিদা খাতুন বলেন, ‘আমদানিনির্ভর মূল্যস্ফীতির প্রভাব কমিয়ে নিম্ন আয়ের মানুষের ক্রয়ক্ষমতা রক্ষা করাই হওয়া উচিত ২০২৭ বাজেটের প্রধান লক্ষ্য। ভোক্তা পর্যায়ে চাপ কমাতে আমদানিকৃত জ্বালানি পণ্যে কর পুনর্বিবেচনা এবং ২০২৭ অর্থবছরের বাজেটে জরুরি তহবিল রাখতে হবে।’

সংস্থাটি সম্ভাব্য চাপ মোকাবিলায় এলপিজি আমদানিতে ২ শতাংশ অগ্রিম কর ছাড় অব্যাহত রাখার সুপারিশ জানায়, যার মেয়াদ বর্তমানে ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত।

তিনি বলেন, ‘সংকট মোকাবিলায় জ্বালানি আমদানির উৎস বৈচিত্র্য এবং স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি কিনতে হবে। জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় দেশিয় গ্যাস অনুসন্ধানে অগ্রাধিকার ১৫০টি গ্যাস কূপ খননের পরিকল্পনায় বাজেট বরাদ্দ বাড়াতে হবে।’

সোলার, উইন্ড ও ব্যাটারি প্রযুক্তিতে এআইটি, আরডি, এটি ও এসডি কর প্রত্যাহার এবং ভ্যাট ১৫ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশ করার প্রস্তাব জানায় সংস্থাটি।

আরও পড়ুন:

এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘দুই কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দিতে বছরে প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হতে পারে। এ ব্যয় বর্তমান সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির বাজেটের প্রায় ৫১ শতাংশের সমান যা তৈরি করতে পারে বড় রাজস্ব চাপ।’

তিনি বলেন, ‘সুবিধাভোগী নির্ধারণে ভুল অন্তর্ভুক্তি ও জাল উপকারভোগী ঠেকাতে ডিজিটাল যাচাই ও কঠোর মনিটরিং করতে হবে। দেশে এখনো একীভূত ও যাচাইকৃত কৃষক ডাটাবেস না থাকায় প্রকৃত কৃষক শনাক্ত জটিল হয়ে গেছে। কৃষকদের ঋণব্যবস্থায় মাইক্রোফাইন্যান্সের উচ্চ সুদের নির্ভরতা কমিয়ে আনতে সহজ কেওয়াইসি পদ্ধতিতে ব্যাংকিং সেবা সম্প্রসারণ করতে হবে।’

এফএস