সাক্ষাতে নির্বাচনকালে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বাংলাদেশ পুলিশের পেশাদারিত্ব, নিষ্ঠা ও সমন্বিত উদ্যোগের প্রশংসা করেন প্রতিনিধিদল প্রধান। তিনি বলেন, পুলিশের নির্বাচনি প্রশিক্ষণ, দায়িত্ব পালনকালে বডিওর্ন ক্যামেরার ব্যবহার এবং নিরাপত্তা দায়িত্বসংক্রান্ত ‘পকেট বুক’ কার্যকর ভূমিকা রেখেছে।
এ সময় তিনি ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইলেকশন অবজারভেশন মিশনের পক্ষ থেকে আইজিপির কাছে একটি প্রশংসাপত্র হস্তান্তর করেন।
আইজিপি বলেন, ‘নির্বাচনকালে বিদেশি পর্যবেক্ষকদের ভূমিকা ছিল প্রশংসনীয়। তিনি জানান, বিভিন্ন দেশ, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান থেকে আগত বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ পুলিশ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিল।’
সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে উভয় পক্ষ ভবিষ্যতে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।





