আজ (শনিবার, ৭ মার্চ) রাজধানীর মিরপুর বাউনিয়াবাদ, কালশী ও এভিনিউ-৫ সহ বিভিন্ন এলাকায় এসব পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটান আমিনুল হক। এসময় প্রতিটি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে কথা বলে তাদের বর্তমান অবস্থা ও সমস্যার কথা শোনেন তিনি। গুম ও শহিদ হওয়া নেতাকর্মীদের স্বজনদের সবসময় পাশে থাকার আশ্বাসও দেন তিনি।
প্রিয়জনের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে অনেক পরিবারের সদস্যরাই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তারা জানান, রাজনীতির কঠিন সময়গুলোতে আমিনুল হক তাদের কখনো ভুলে যাননি এবং বারবার পাশে দাঁড়িয়ে একজন প্রকৃত মানবিক নেতার পরিচয় দিয়েছেন।
এদিন যেসব পরিবারের হাতে সহায়তা তুলে দেয়া হয়, তাদের মধ্যে রয়েছে শহিদ আসিফ ইকবালের পরিবার, ২০১৩ সালে গুম হওয়া পল্লবী থানা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক তারিকুল ইসলাম তারার পরিবার, শহিদ মকবুল হোসেনের পরিবার, শহিদ রমজান মিয়া জীবনের পরিবার এবং ২০১৫ সালে গুম হওয়া পল্লবী থানা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুরে আলমের পরিবার।
আরও পড়ুন:
পরিবারগুলোর সঙ্গে আলাপকালে আমিনুল হক বলেন, ‘গণতন্ত্রের সংগ্রামে যারা জীবন দিয়েছেন কিংবা গুমের শিকার হয়েছেন, তারা কেবল একটি নির্দিষ্ট দলের কর্মী নন; তারা এ দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সাহসী সৈনিক। তাদের এ ত্যাগের ঋণ শোধ করা সম্ভব নয়, তবে তাদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।’
শহিদ ও গুম হওয়া নেতাকর্মীদের আত্মত্যাগ কখনো বৃথা যাবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘তাদের স্মৃতি ধারণ করেই বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন অব্যাহত রাখবে।’
রমজানে এ মানবিক উদ্যোগকে বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীরা কেবল একটি সহায়তা কর্মসূচি হিসেবে দেখছেন না; বরং একে দেখছেন ত্যাগী নেতাকর্মীদের প্রতি গভীর সম্মান ও ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে।
তাদের মতে, ক্ষমতা বা পদ নয়— বিপদে মানুষের পাশে দাঁড়ানোই একজন প্রকৃত রাজনৈতিক নেতার আসল পরিচয়, যা আমিনুল হক আবারও প্রমাণ করলেন।





