আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বিমান বাহিনীর প্রশিক্ষণ সমন্বয় এবং ডক্ট্রিন ও ট্যাকটিকস প্রণয়ন বিষয়ে সর্বোচ্চ সংস্থা হিসেবে এ প্রতিষ্ঠানের যাত্রা শুরুর বিষয়ে দৃঢ় আস্থা এবং আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি তার দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যে বিমান বাহিনীকে যুগোপযোগী এবং কৌশলগতভাবে কার্যকর রাখতে পরিকল্পিত ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান এবং সামরিক শিক্ষা ব্যবস্থার উপর গুরুত্বারোপ করেন।
আরও পড়ুন:
আইএসপিআর জানায়, ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ড সরাসরি বিমান বাহিনী প্রধানের অধীনে পরিচালিত হবে, যা কৌশলগত সামঞ্জস্য এবং সময়োপযোগী নীতিগত দিকনির্দেশনা নিশ্চিত করার পাশাপাশি পরিকল্পনা, অপারেশন, প্রশিক্ষণ এবং মূল্যায়নের ক্ষেত্রে বিমান সদরের সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর সমূহের সঙ্গে কার্যকর সমন্বয় বজায় রাখবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘ট্রান্সফরমেশন থ্রু উইজডম’— এই মূলমন্ত্র অনুসরণ করে অত্র প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সব প্রশিক্ষণ তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ, ডক্ট্রিন ও ট্যাকটিকস প্রণয়ন ও হালনাগাদ, অপারেশনাল উৎকর্ষতা সাধন এবং সর্বোপরি একটি যুগোপযোগী বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
এ অনুষ্ঠানে বিমান সদরের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসাররা, এয়ার অধিনায়ক বিমান বাহিনী ঘাঁটি বাশার ও ঘাঁটি এ কে খন্দকার, কমান্ড্যান্ট ট্রাডক এবং বিমান সদরের পরিচালকরাসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন বলেও এ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।





