সাক্ষাৎকালে মানবাধিকার বিষয়ক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে চলমান কার্যক্রম, জাতিসংঘের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করার সুযোগ ও পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনায় বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ মানবাধিকার বিষয়সমূহ, বিশেষত রোহিঙ্গা সংকটের মানবিক ও মানবাধিকার বিষয়গুলো, পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার এবং টেকসই সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
আরও পড়ুন:
এছাড়া আলোচনায় জাতিসংঘের ইউনিভার্সাল পিরিয়ডিক রিভিউ (ইউপিআর) প্রক্রিয়ার কার্যক্রমসমূহ বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় ও প্রস্তুতি জোরদারের বিষয়েও মতবিনিময় করা হয়।
কমিশনের চেয়ারপার্সন জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ ২০২৫-এ কমিশনের এখতিয়ার ও কর্মপরিধি সম্প্রসারণের বিষয়টি উল্লেখ করেন। অধ্যাদেশটি দ্রুতই আইনে পরিণত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এসময় উভয়পক্ষ মানবাধিকার উন্নয়ন ও সুরক্ষায় বিদ্যমান সহযোগিতা অব্যাহত রাখা এবং ভবিষ্যতে তা আরও সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা করেন।




