স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘তদন্ত কমিশন যেটা হয়েছে, গত অন্তর্বর্তী সরকারের সময়, নিরপেক্ষভাবে স্বাধীন তদন্ত কমিশন। সে কমিশনের রিপোর্ট যেন প্রকাশ করা হয়, সে দাবি উত্থাপিত করা হয়েছে। কারণ ২০০৯ সালের পর তৎকালীন আওয়ামী সরকারের সময়, তদন্ত কমিটি করা হয়, কমিশন নয়। সে কমিটির কোনো রিপোর্ট জনসম্মুখে প্রকাশিত হয়নি। কেন হয়নি, সেটা আপনারা সঙ্গত কারণে বুঝতে পারেন।’
তিনি বলেন, ‘আমরা কথা দিচ্ছি, আমি প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করবো, আপনি তাদের সে বিষয়টা বিবেচনা করতে পারেন। আমরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সে রিপোর্টের গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যেগুলো প্রকাশ করা প্রয়োজন, সেগুলো আমরা প্রকাশের ব্যবস্থা করতে পারি। পিলখানা ঘটনা কোনো সাধারণ ঘটনা নয়। এই শহিদদের যথাযথ মর্যাদা সরকার দেবে। জাতীয় শহিদ সেনা দিবসটি সি থেকে এ গ্রেডে উন্নতি করা যায় কি না সে বিষয়ে পর্যালোচনা করা হবে।’
আরও পড়ুন:
পিলখানা হত্যাকাণ্ডে জড়িত আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের বিচার হবে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আমি রিপোর্টের যে প্রাসঙ্গিক বিষয়গুলো এসেছে, সেগুলো প্রকাশ করি। রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্বরাই এ ষড়যন্ত্রের সঙ্গে লিপ্ত ছিল, কমিশনের রিপোর্ট। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ববিরোধী এমন কাজের জন্য দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘হত্যাকারীদের সমর্থনে মিছিল করা থেকে শুরু করে তাদের খাদ্য সরবরাহ করা এবং পালানোর কাজে সহায়তাকারী আওয়ামী লীগের কর্মীরা সবাই ষড়যন্ত্রকারী ও হত্যাকারীদের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সব প্রকার সহায়তা প্রদান করেছে।’





