এসময় মেয়র বলেন, ‘৫ আগস্টের পর সাবেক মেয়র পালিয়ে যাওয়ার পর আদালতের রায়ে তিনি মেয়র পদে বহাল হয়েছেন। এরইমধ্যে ১৪ মাস পার হয়েছে। আদালতের রায় অনুসারে তিনি ২০২৯ সাল পর্যন্ত থাকতে পারবেন। তবে নিজের জনপ্রিয়তা যাচাইয়ের জন্য আগেভাগেই নির্বাচন চান।’
এছাড়া ৪১টি ওয়ার্ডে কোনো ওয়ার্ড কাউন্সিলর না থাকায় বর্তমানে সেবা গ্রহীতাদের কষ্ট হচ্ছে বলে দাবি করেন চসিক মেয়র।
আরও পড়ুন:
নিজের মেয়াদে জলাবদ্ধতা নিরসন, হেলথ কার্ড চালু, বর্জ্য অপসারণে সফলতা তুলে ধরেন।
এরই সঙ্গে তিনি বলেন, ‘আগামী মাস থেকে ‘‘ডোর টু ডোর’’ বর্জ্য অপসারণে নগরবাসী থেকে ৭০- ৮০ টাকা আর নেয়া হবে না। চসিক নিজেই এ ভুতুর্কি দিবে।’
এসময় মেয়র বলেন , ‘জাতীয় নির্বাচনে কয়েকজন উপদেষ্টা বিএনপিকে হারাতে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করেছে, তবে জনগণের ভোটের কারণে তা সম্ভব হয়নি। এখন উল্টো বিএনপিকে একটি পক্ষ দোষারোপ করছে।’





