শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমার মেয়েরা, আপনার বোনেরা, আপনার মায়েরা; তারা যেন নিরাপদ থাকে। কোনো অবস্থাতেই যেন ইভটিজিংয়ের বিন্দুমাত্র ঘটনা না ঘটে। কিশোরদের ক্ষেত্রে এ বিষয়ে একেবারে জিরো টলারেন্স নীতি থাকতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘রাতের বেলা অযথা কিশোরদের ঘোরাফেরা করা যাবে না। আমি দেখেছি, নির্বাচনের সময় সারা রাত কিশোররা রাস্তায় ঘুরে বেড়ায়। কেন তারা ঘোরে, এ বিষয়ে কেউ প্রশ্ন করলে উল্টো তারা মব আক্রমণ করে। এখন থেকে রাস্তায় ঘোরাফেরা করলে পুলিশ জিজ্ঞেস করবে— কেন ঘুরছে, কোথায় গিয়েছিল, কী কারণে বের হয়েছে।
‘এতে যদি কেউ সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘনের কথা বলেন, সেটি পরে দেখা যাবে। আমরা কচুয়ায় একটি নিরাপদ অঞ্চল চাই, এটি নিশ্চিত করতেই হবে। এর কোনো বিকল্প নেই।’
আরও পড়ুন:
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দুর্নীতিমুক্ত না থাকতে পারলে বদলি হয়ে অন্যত্র চলে যাওয়ার নির্দেশনা দিয়ে এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘আমি জীবনে দুর্নীতি করবো না, কাউকে দুর্নীতি করতে দেবো না, এটি আমার প্রমিজ (প্রতিজ্ঞা)।’
তিনি বলেন, ‘আমার এই প্রমিজের সঙ্গে যারা থাকতে পারবেন না, তারা দয়া করে এখান থেকে অন্যত্র বদলি হয়ে চলে যান। আর না হয় আমাকে বলবেন আমি ভালো জায়গা দেখে বদলি করে দেবো। কিন্তু আমি এখানটাকে পবিত্র রাখবো।’
আরও পড়ুন:
এসময় চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক মো. নাজমুল ইসলাম সরকার, পুলিশ সুপার রবিউল হাসান, কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান রাসেল, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বোরহান উদ্দিনসহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।




 has scored 10 goals from 22 games in 2026-320x167.webp)
