দেশের ৮ বিভাগের ৮ উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ডের পাইলটিংয়ের লক্ষ্য করা হয়েছে। তবে কোন উপজেলায় পাইলটিং হবে, তা এখনো নির্ধারণ হয়নি।
প্রথম দিকে প্রান্তিক ও নিম্ন-আয়ের পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পাবে। সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিকে আরও সমন্বিত ও লক্ষ্যভিত্তিক করতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সরকার।
অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা ও সচিবদের সমন্বয়ে এ কমিটি করা হয়েছে। আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে একটি প্রাথমিক প্রতিবেদন দাখিল করতে কমিটিকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা দেবে।
আরও পড়ুন:
কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন—মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী। এছাড়া আছেন, স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, মাহদী আমিন, মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ ৭টি মন্ত্রণালয়ের সচিব।
কমিটির কার্যপরিধিতে বলা হয়েছে—‘ফ্যামিলি কার্ড’ ব্যবস্থাপনার একটি উপযুক্ত ডিজাইন প্রণয়ন এবং সুবিধাভোগী নির্বাচন পদ্ধতি চূড়ান্ত করা, প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের ৮টি বিভাগের প্রতিটিতে একটি করে উপজেলায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রবর্তনের ব্যবস্থা গ্রহণ, নারীদের জন্য বিদ্যমান অন্য কোনো কার্ডকে ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা যায় কি না, তা পর্যালোচনা, সুবিধাভোগীদের ডাটাবেজ প্রণয়নের লক্ষ্যে জাতীয় পরিচয়পত্র ও ন্যাশনাল হাউজহোল্ড ডাটাবেজের আওতায় প্রয়োজনীয় ডিজিটাল এমআইএস প্রস্তুত করা।





