নির্বাচনের ফল আসার ঠিক পরপরই তার দেশত্যাগের বিষয়টি নিয়ে নানা রকম জল্পনা-কল্পনা এবং সমালোচনা দেখা গেছে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে।
এর মধ্যে গতরাতে তৈয়্যব নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্ট দেন। সেখানে দেশ ছেড়ে যাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করেছেন।
দেশত্যাগ বিষয়ে তার পোস্টে তিনি দুই রকম দাবি ও ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন ‘আনুষ্ঠানিক বিদায় নিয়েছেন’ এবং আরেক জায়গায় তিনি উল্লেখ করেছেন ‘ছুটি চেয়ে যথাযথভাবেই পরিবারের কাছে যাচ্ছি।’
ফেসবুক পোস্টের শুরুতে তিনি লেখেন, ফেব্রুয়ারির ৮, ৯ ও ১০ তারিখে আনুষ্ঠানিক বিদায় নিয়েছি আইসিটি, পিটিডি ও বিটিআরসি থেকে। এরপরে নির্বাচনের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেছি।
আরও পড়ুন:
তিনি আরও লেখেন, ১০ ফেব্রুয়ারি অফিসিয়ালি শেষ কর্ম দিবস ছিলো। সেদিন কর্মকর্তা কর্মচারী সবার সঙ্গে একসঙ্গে ফেয়ারওয়েল ডিনার করেছি। গান গেয়ে বিদায় দিয়েছেন আমার সহকর্মীরা, ওয়ালে পাবেন।
পোস্টে তিনি দেশ ছেড়ে পরিবারের কাছে ফেরত যাওয়ার কথা উল্লেখ করে লেখেন, ছেলের স্কুলে প্যারেন্টস মিটিং আছে প্লাস স্ত্রীর মেডিক্যাল ইমার্জেন্সি আছে। ছুটি চেয়ে যথাযথভাবেই পরিবারের কাছে যাচ্ছি। একটা দীর্ঘ সময় সন্তান ও পরিবারকে সময় দিতে পারেনি, পরিবারকে কিছুটা সময় দিতে হবে।
উল্লেখ্য, নেদারল্যান্ডস-ভিত্তিক অর্থনীতিবিদ ও গবেষক ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবকে ২০২৫ সালে পাঁচই মার্চ অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়, সেসময় তাকে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেয়া হয়।
দায়িত্ব পালনকালে তার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ ওঠে, সে বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তিনি দাবি করেছেন তিনি কোনো অন্যায় করেননি।





