নোয়াখালীর ছয়টি সংসদীয় আসনের ৮৭৫টি ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তায় ৭টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মোট ১৬ হাজার ৩৭৯ জন সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, ‘নোয়াখালীর সবগুলো আসনে ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সন্তোষজনক। ছয়টি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মোট ৪৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী, র্যাব, পুলিশ, বিজিবি, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও আনসার সদস্যদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।’
রিটার্নিং কর্মকর্তা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনটি বিচ্ছিন্ন দ্বীপ এলাকা হওয়ায় সেখানে পুলিশ ও আনসারের পাশাপাশি কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনী দায়িত্ব পালন করবে। অপর পাঁচটি আসনে সেনাবাহিনী, র্যাব, পুলিশ, বিজিবি ও আনসার সদস্যরা নিয়োজিত থাকবেন।
নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য সংখ্যার মধ্যে রয়েছে— সেনাবাহিনী ৭০০ জন, বিজিবি ২৫০ জন, পুলিশ ২ হাজার ৬৫০ জন, র্যাব ১০০ জন, নৌবাহিনী ২৪০ জন, কোস্টগার্ড ১ হাজার ৬৪ জন এবং আনসার সদস্য ১১ হাজার ৩৭৫ জন।
আরও পড়ুন:
এছাড়া একজন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার নেতৃত্বে ১৪ জন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা, ১৪ জন প্রথম শ্রেণির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ৮৭৫ জন প্রিজাইডিং কর্মকর্তা, ৫ হাজার ৬০৯ জন সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা এবং ১১ হাজার ২১৮ জন পোলিং কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাদেকুল ইসলাম বলেন, ছয়টি আসনের ৯টি উপজেলায় নির্বাচনী ব্যালটসহ সব প্রয়োজনীয় মালামাল পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। বুধবার বিকেলের মধ্যে এসব মালামাল সংশ্লিষ্ট ভোটকেন্দ্রে পৌঁছানো হবে। ব্যালট পেপার ও ভোটের বাক্সের নিরাপত্তায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, জেলার ৬টি আসনে আটটি পৌরসভা ও ৯১টি ইউনিয়নে মোট ভোটার সংখ্যা ২৮ লাখ ৬৭ হাজার ৬৩৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১৪ লাখ ৯৬ হাজার ৩৮০ জন, নারী ভোটার ১৩ লাখ ৭১ হাজার ২৪৫ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ১৪ জন। জেলায় মোট ৮৭৫টি ভোটকেন্দ্র ও ৫ হাজার ৬০৯টি ভোটকক্ষ রয়েছে।
প্রার্থী সংখ্যার হিসাবে নোয়াখালী-১ আসনে ৭ জন, নোয়াখালী-২ আসনে ৫ জন, নোয়াখালী-৩ আসনে ৭ জন, নোয়াখালী-৪ আসনে ৭ জন, নোয়াখালী-৫ আসনে ১২ জন এবং নোয়াখালী-৬ আসনে ১০ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।





