এ ঘটনায় আজ (শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জাতীয় জাদুঘরের সামনে এক প্রতিবাদ সমাবেশে অংশ নিয়ে এমন অভিযোগ করেন তারা।
এসময় তারা অভিযোগ করে বলেন, শুক্রবারে সংবাদকর্মীদের ওপর আঘাত ছিল পুলিশের পূর্বপরিকল্পিত। অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্বের শেষ সপ্তাহে এসে গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর হামলা করে নেতিবাচক এক দৃষ্টান্ত রেখে গেল।
এ সংঘর্ষের ঘটনায় আহত বেশ কয়েকজন সংবাদকর্মী ঘটনায় জড়িত পুলিশ সদস্যদের চাকরি থেকে অব্যাহতি দেয়ার দাবিও জানানো হয়।
এর আগে, গতকাল (শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারি) জাতিসংঘের অধীনে শরিফ ওসমান হাদি হত্যার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চ অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। এ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এসময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ লাঠিচার্জ, কাঁদানে গ্যাসের শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এতে ইনকিলাব মঞ্চের একাধিক নেতাকর্মী আহত হন। শাহবাগের হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আরও পড়ুন:
এ দিন যমুনার সামনে অবস্থান করছিলেন ওসমান হাদির স্ত্রী রাবেয়া ইসলাম শম্পাসহ কয়েকজন। অন্যদিকে, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের (রাকসু) জিএস সালাউদ্দিন আম্মারসহ কয়েকশো নেতাকর্মী অবস্থান নেন।
বেলা সাড়ে ৩টার দিকে ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের (ডাকসু) মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনবিষয়ক সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমাসহ কয়েকজন যমুনার সামনে যেতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়। এ নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয় এবং এক পর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।





