আরও পড়ুন:
অফ-সিজনে ভ্রমণের বিশেষ অনুমতি (Special permission for off-season travel)
পর্যটক চলাচল বন্ধ থাকলেও সেন্টমার্টিনের স্থায়ী বাসিন্দা (Local residents) এবং সরকারি দাপ্তরিক কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিরা দ্বীপটিতে যাতায়াত করতে পারবেন। এছাড়া আরও কিছু নির্দিষ্ট শ্রেণির মানুষ প্রশাসনের বিশেষ অনুমতি সাপেক্ষে ট্রলারে করে যাতায়াত করার সুযোগ পাবেন।
কারা পাবেন এই বিশেষ অনুমতি? (Who is eligible for special permission?)
টেকনাফ উপজেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, নিচের ব্যক্তিরা বিশেষ অনুমতি পেতে পারেন:
- সংবাদ সংগ্রহের কাজে নিয়োজিত সাংবাদিক (Journalists for news collection)।
- দ্বীপের নিজস্ব বা লিজ নেওয়া রিসোর্টের মালিক ও কর্মচারী (Resort owners and staff)।
- জরুরি চিকিৎসা ক্যাম্পেইনে অংশগ্রহণকারী (Medical campaign participants)।
- বিচ ক্লিনিং কার্যক্রমে যুক্ত স্বেচ্ছাসেবক ও গবেষকরা (Volunteers and researchers for beach cleaning)।
- সরকারি ও বেসরকারি দাপ্তরিক কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিরা (Government and private officials)।
আবেদন প্রক্রিয়া ও প্রয়োজনীয় তথ্য (Application process and required info)
অফ-সিজনে সেন্টমার্টিন যেতে হলে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (UNO) কাছ থেকে লিখিত অনুমতি নিতে হবে। এক্ষেত্রে ভ্রমণের যথাযথ কারণ ও প্রমাণপত্র দাখিল করতে হবে। পাশাপাশি ডিজিটাল সেবা নিশ্চিত করতে ‘মাই সেন্টমার্টিন’ (My Saint Martin) নামের একটি অ্যাপের মাধ্যমেও এখন আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। যাবতীয় তথ্য যাচাই-বাছাই শেষে সঠিক প্রমাণিত হলেই কেবল সেন্টমার্টিনে যাওয়ার ছাড়পত্র দেওয়া হবে।
আরও পড়ুন:
সেন্টমার্টিন অফ-সিজন আপডেট ও জরুরি নির্দেশিকা
পর্যটকদের জন্য সেন্টমার্টিন বন্ধ থাকলেও যারা বিশেষ প্রয়োজনে যেতে চাচ্ছেন, তাদের জন্য বর্তমান পরিস্থিতির বিস্তারিত তথ্য নিচে দেওয়া হলো:
১. যাতায়াত খরচ ও সময় (Travel Cost and Time): অফ-সিজনে কোনো বড় জাহাজ (Ship) চলে না। যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম হলো কাঠের ট্রলার বা স্পিডবোট। টেকনাফের কায়ুকখালী ঘাট থেকে প্রতিদিন সীমিত সংখ্যক ট্রলার ছাড়ে। পর্যটন মৌসুমের তুলনায় অফ-সিজনে ট্রলারের ভাড়া কিছুটা বেশি হতে পারে এবং সমুদ্র উত্তাল থাকলে যেকোনো সময় যাতায়াত বন্ধ করে দেওয়া হয়।
২. রিসোর্ট ও খাবারের সুবিধা (Accommodation and Food): অধিকাংশ বড় রিসোর্ট এই ৯ মাস বন্ধ থাকে। তবে রিসোর্ট মালিক বা কর্মচারীরা যারা অফ-সিজনে অবস্থান করেন, তাদের জন্য সীমিত পরিসরে থাকার ব্যবস্থা থাকে। সাধারণ পর্যটকদের জন্য কোনো রিসোর্ট বুকিং (Resort booking) উন্মুক্ত থাকে না। বাজারে খাবারের দোকানও খুব কম থাকে, তাই অফ-সিজনে গেলে আগেভাগেই দ্বীপের পরিচিত কারও মাধ্যমে ব্যবস্থা করে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।
৩. পরিবেশ সুরক্ষা ও জরিমানা (Environment protection and Fine): অফ-সিজনে দ্বীপের জীববৈচিত্র্য রক্ষার জন্য কঠোর নজরদারি রাখা হয়। প্লাস্টিক বর্জ্য ফেলা বা ছেঁড়াদিয়া দ্বীপে অননুমোদিত প্রবেশ করলে বড় অংকের জরিমানা (Fine) বা আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার নিয়ম রয়েছে।
আরও পড়ুন:





