প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘শিক্ষা ব্যবস্থার মূল লক্ষ্য কেবল চাকরির উপযোগী জনশক্তি তৈরি করা নয় বরং সৃজনশীল, স্বাধীন চিন্তাশীল ও উদ্ভাবনী মানুষ গড়ে তোলা। মানুষ জন্মগতভাবেই সৃজনশীল। কিন্তু প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থা অনেক সময় সেই সৃজনশীলতাকে দমন করে কেবল চাকরির প্রস্তুতিতে সীমাবদ্ধ করে ফেলে।’
তিনি বলেন, ‘শিক্ষা শুধু চাকরি পাওয়ার হাতিয়ার হিসেবে দেখলে তার প্রকৃত উদ্দেশ্য ব্যাহত হয়। শিক্ষার মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত মানুষের সৃজনশীলতা জাগ্রত করা এবং তাকে স্বাধীনভাবে চিন্তা করতে শেখানো। চাকরি না খুঁজে তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়া জরুরি।’
তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের শুধু চাকরিপ্রার্থী হিসেবে নয়, বরং চাকরি সৃষ্টিকারী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। উদ্যোক্তা মানসিকতা, কল্পনাশক্তি ও নতুন কিছু তৈরির সাহস এ গুণগুলো শিক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে বিকশিত হওয়া জরুরি। কেন আমরা আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে শুধু চাকরি নির্ভর করলাম?’
আরও পড়ুন:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘দক্ষিণ এশিয়া একটি সম্ভাবনাময় অঞ্চল। কিন্তু রাজনৈতিক অস্থিরতা, সামাজিক বিভাজন ও ভুল নীতির কারণে এ অঞ্চলের সম্ভাবনাগুলো অনেক সময় কাজে লাগানো যায় না। শিক্ষা হতে পারে সেই শক্তি, যা এই অঞ্চলের তরুণদের পরিবর্তনের নেতৃত্ব দিতে সক্ষম করে তুলবে।’
তিনি বলেন, ‘ছেলেদের পাশাপাশি নারীদেরও সমানভাবে এগিয়ে যেতে হবে। আগামী ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন, জুলাই চার্টার তৈরি হয়েছে। ভোটের মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে ভবিষ্যতের বাংলাদেশ।’
এছাড়া এবারের নির্বাচনে অনেক তরুণরাই জিতে আসবে বলেও আশা করেন সরকারপ্রধান।





