আজ (সোমবার, ১২ জানুয়ারি) বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সচিব ড. মো. ফখরুল ইসলাম এসব তথ্য জানান।
সম্মেলনে যুক্তরাজ্য, মালদ্বীপ, মালয়েশিয়া, নেপাল, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এবং বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিসহ মোট ৩০ জন আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করবেন বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে ইউজিসি।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ইউজিসি কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘হায়ার এডুকেশন এক্সিলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (হিট)’ প্রকল্পের আওতায় এ সম্মেলনের আয়োজন করা হচ্ছে।
সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার।
ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এস এম এ ফায়েজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন শিক্ষা সচিব রেহানা পারভীন এবং বিশ্বব্যাংকের ডিভিশন ডিরেক্টর জ্যঁ পেম। এতে স্বাগত বক্তব্য রাখবেন ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তানজীম উদ্দিন খান।
আরও পড়ুন:
এছাড়া সম্মেলনে সার্কভুক্ত দেশের ইউজিসি ও উচ্চশিক্ষা কমিশনের প্রতিনিধি, বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, শিক্ষাবিদ ও গবেষকরা অংশগ্রহণ করবেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা, বিভিন্ন পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, শিক্ষাবিদ, গবেষক, কূটনীতিক উপস্থিত থাকবেন বলে জানিয়েছে ইউজিসি।
ইউজিসি জানায়, দেশের উচ্চশিক্ষাকে নতুন উচ্চতায় উন্নীত করা এবং সার্কভুক্ত দেশগুলোর উচ্চশিক্ষা কমিশন নেটওয়ার্ককে আরও শক্তিশালী করতে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এ সম্মেলনে মোট আটটি সেশন অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম দিনে ‘দক্ষিণ এশিয়ায় উচ্চশিক্ষার বর্তমান অবস্থা, সুশাসন ও গুণগতমান এবং অন্তর্ভুক্তি’ এবং ‘গবেষণা, উদ্ভাবন, স্থায়িত্ব এবং সামাজিক সম্পৃক্ততা’ শীর্ষক দু’টি সেশন থাকবে।
দ্বিতীয় দিনের আলোচনায় গুরুত্ব পাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সমন্বয়, ডিজিটাল রূপান্তর এবং স্মার্ট লার্নিং ইকোসিস্টেম, গ্র্যাজুয়েটদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সহযোগিতা, উচ্চশিক্ষার ভবিষ্যৎ পথরেখা: সহযোগিতা, সহমর্মিতা এবং নেটওয়ার্কিং, উচ্চশিক্ষা রূপান্তরে অংশীজনদের সংলাপ : সুশীল সমাজের কণ্ঠস্বর এবং উপাচার্যদের সঙ্গে সংলাপ: হিট প্রকল্পের প্রেক্ষাপট শীর্ষক সেশন অনুষ্ঠিত হবে।
সম্মেলনের শেষ দিনে ‘উচ্চশিক্ষায় জেন্ডার ইস্যু’ নিয়ে আলোচনা শেষে ‘ঢাকা হায়ার এডুকেশন ডিক্লারেশন’ বা ঢাকা ঘোষণার মাধ্যমে সম্মেলনের সমাপ্তি ঘটবে বলে জানায় ইউজিসি।




