আজ (সোমবার, ২৭ জুলাই) দুপুরে সদর উপজেলার লালপুরের গুচ্ছগ্রামের ট্যাংকির ভেতর থেকে এ মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় আটকরা হলেন— লালপুর গুচ্ছগ্রামের মৃত নুর মিয়ার ছেলে মণির হোসেন (৩০), আব্দুল জব্বারের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম (৩৭), মণির হোসেনের মা রাবেয়া বেগম (৫৫) ও জাহাঙ্গীর আলমের স্ত্রী আফিয়া বেগমকে (৩৫)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকালে নিহত শিশুটির মা সাবিকুন নাহার শিশুটিকে তার বাবার সাথে ঘুমে রেখে শ্বশুরবাড়িতে যান। পরে শিশুটির পিতা সাব্বির হোসেন ঘুম থেকে উঠে শিশু ছেলেটিকে বিছানায় না দেখে খোজাঁখুজি শুরুর এক পর্যায়ে গুচ্ছগ্রামের পার্শ্ববর্তী নাঈম মিয়া ট্যাংকির কাছে গিয়ে ওই শিশুটির মরদেহ দেখতে পেয়ে চিৎকার শুরু করেন। এতে আশপাশের লোকজন জড়ো হয়ে সদর থানা পুলিশকে খবর দেন।
আরও পড়ুন:
খবর পেয়ে সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন শেখ ঘটনাস্থলে গিয়ে ট্যাংকির ভেতর থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করেন এবং এই ঘটনায় সন্দেহজনক ৪ জনকে আটক করেন।
ওসি রতন শেখ বলেন, ‘শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি ঘটনাটি মূল রহস্য খুঁজে বের করতে তদন্ত চলছে।’




