সিআইডির উপ-পুলিশ পরিদর্শক মো. আবদুল লতিফ ব্যাংকের টাকা অবরুদ্ধ চেয়ে আবেদনটি করেন।
আবেদনে বলা হয়েছে, শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ এবং তার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং বিষয়ক অভিযোগ সিআইডিতে অনুসন্ধানাধীন আছে। অনুসন্ধানকালে মো. ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং ব্যক্তির নামের হিসাবগুলো বিশ্লেষণে যথেষ্ট সন্দেহজনক লেনদেন পরিলক্ষিত হয়েছে।
আরও পড়ুন:
আবেদনে আরও বলা হয়েছে, প্রাথমিক অনুসন্ধানে সন্দেহভাজন অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ এবং তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে খুন, সন্ত্রাস ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অর্থ জোগান এবং সংঘবদ্ধ অপরাধের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যাচ্ছে। এটা মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে অপরাধ। এ কারণে তার সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা একান্ত প্রয়োজন। অন্যথায় অভিযোগ নিষ্পত্তির আগেই হিসাবগুলোয় স্থিত অর্থ বেহাত হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা আছে।
অন্যদিকে, গতকাল মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলায় তদন্ত শেষে ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
বিকেলে সংবাদ সম্মেলন করে ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘এ হত্যাকাণ্ডে আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম বাপ্পির সংশ্লিষ্টতায় ফয়সাল করিম গুলি করে। মূলত আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কথা বলায় নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করা হয়।’
এখন পর্যন্ত হাদি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন; ফয়সালের বাবা মো. হুমায়ুন কবির ও মা হাসি বেগম, ফয়সালের স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়া, বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমা ও শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ সিপু, ভাড়ায় প্রাইভেটকার ব্যবসায়ী মুফতি মো. নুরুজ্জামান নোমানী ওরফে উজ্জ্বল, ফয়সালের সহযোগী মো. কবির, ভারতে পালাতে সহযোগিতাকারী সিবিউন দিউ ও সঞ্জয় চিসিম, আমিনুল ইসলাম রাজু এবং মো. ফয়সাল।





