কাঁচাবাজার
বাজার
ভারতীয় পেঁয়াজে সয়লাব খাতুনগঞ্জ, খেজুরের দাম দ্বিগুণ
পেঁয়াজের বাজার যেন লাগামহীন। মাঝখানে ভারত থেকে পেঁয়াজ রপ্তানি করবে এমন খবরে দাম কিছুটা কমলেও পরে আবারও ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে যায়। আবার সরকারের নানা উদ্যোগেও কমছে না খেজুরের দাম।

ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি না করলেও দেশের বাজার সয়লাব ভারতীয় পেঁয়াজে। খাতুনগঞ্জের প্রতিটি আড়তে ভারতীয় পেঁয়াজের দাপটে দেশি পেঁয়াজের আধিপত্যে ভাটার টান। শবে বরাত দরজায় কড়া নাড়ছে আর রমজানেরও বেশিদিন বাকি নেই। ফলে বেড়েছে চাহিদা ও বেচাবিক্রি। তাই পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে বাড়তি দামে।

বৈধভাবে রপ্তানি বন্ধ থাকলেও চোরাই পথে দেশে ঢুকছে পেঁয়াজ। এছাড়া ভারত ৫০ হাজার টন পেঁয়াজ রপ্তানির অনুমতি দিলেও তা কেবল টিসিবির মাধ্যমে বিক্রি হবে বলে গুঞ্জন রটেছে দেশের বৃহৎ এই পাইকারি বাজারে। তাই দীর্ঘদিন ধরে অস্থির পেঁয়াজের বাজারে এখনও নেই স্বস্তির খবর।

অন্যদিকে শুল্ক কমলেও খেজুরের বাজারে ন্যূনতম প্রভাব নেই। উল্টো দাম বেড়েছে। বাড়তি দামের কারণে খেজুর বিক্রিও কমেছে। সব ধরণের খেজুরের দাম বেড়েছে দ্বিগুণ।

মাত্র ১০ শতাংশ শুল্ক কমানো যথেষ্ট নয় বলছেন ব্যবসায়ীরা। বলেন, 'সরকার ১৭৫ টাকা বাড়াইছে আর ৩০ টাকা কমাইছে। এটাতে তো কোন প্রভাব পড়বে না।'

আরও পড়ুন শবে বরাত-রমজান ঘিরে সিলেটের বাজারে উত্তাপ

সুখবর নেই ছোলা এবং ডাল জাতীয় পণ্যেও। দেশে সারাবছর ছোলার চাহিদা দেড় লাখ টনের মত। শুধু রমজানে পণ্যটির চাহিদা থাকে ১ লাখ টনের মত। বর্তমানে কেবল অস্ট্রেলিয়ার ছোলা মিলছে বাজারে। যার কেজি পাইকারিতে ৯৮ টাকা পর্যন্ত দরে বিক্রি হচ্ছে। যা গেল বছরের চেয়ে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ টাকা বেশি।

বিক্রেতারা বলেন, 'উৎপাদন সংকটের কারণে পণ্য আসছে না। তাই দাম বাড়তি। গতবছর ভারত ও মিয়ানমার থেকে আসছিল। এবার শুধু অস্ট্রেলিয়া থেকে আসছে।'

দাম বেড়েছে অন্যান্য ডাল জাতীয় শস্যের। মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ১৩০ থেকে ১৩৫ টাকায়। আর ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে মুগডাল।

এভিএস