আজ (বুধবার, ৮ জুলাই) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বে চার বিচারপতির বেঞ্চে পঞ্চদশ সংশোধনীর আপিল শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এতে শুনানি করেন রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।
শুনানিতে তিনি বলেন, ‘হাইকোর্ট পঞ্চদশ সংশোধনীর যে অংশটুকু বাতিল করেছেন ওই অংশটুকু বাতিলের আবেদন জানান। আর রিটকারি সংগঠন সুজনের পক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার শরিফ ভুঁইয়া পুরো পঞ্চদশ সংশোধনী বাতিল চান।’
জামায়াতের পক্ষের আইনজীবী শিশির মনির বলেন, ‘সংসদের এখতিয়ারের হস্তক্ষেপ করা আদালতের ঠিক হবে না। তত্ত্বাবধায়ক সরকারসহ কয়েকটি বিষয় বাতিল চায় জামায়াত।’
পৃথক দুটি রিট আবেদনের চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০২৪ সালের ১৭ ডিসেম্বর পঞ্চদশ সংশোধনীর কিছু অংশ অসাংবিধানিক ও বাতিল করে রায় দেয় হাইকোর্ট। এ রায়ের পর তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফেরার পথ খুললেও কিছু জটিলতা থেকে যাওয়ায় হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে পৃথক তিনটি আপিল হয়। সে আপিল শুনানি শেষ করে রায়ের জন্য দিন ঠিক করেছেন আপিল বিভাগ।
২০১১ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে পাশ হয়েছিলো পঞ্চদশ সংশোধনী। এতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিলের রায়ের আলোকে সংশোধনী আনা হয়। নারীদের সংরক্ষিত আসন ৫০ করা হয়। সংবিধানে সামরিক বাহিনীর হস্তক্ষেপসহ প্রায় ৫৪টি বিষয় সংযুক্ত করা হয়।





