দাবানল আর বন্যায় বিপর্যস্ত যুক্তরাষ্ট্র; পরিস্থিতি মোকাবিলায় ট্রাম্পের সহায়তার দাবি

দাবানল আর বন্যায় বিপর্যস্ত যুক্তরাষ্ট্র
দাবানল আর বন্যায় বিপর্যস্ত যুক্তরাষ্ট্র | ছবি : সংগৃহীত
0

চলতি গ্রীষ্মে একই সঙ্গে দাবানল আর বন্যার মতো দুর্যোগের সঙ্গে লড়ছে যুক্তরাষ্ট্র। ৩ দিনের বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য টেক্সাসের বেশ কিছু অঞ্চল, প্রাণ গেছে ২ জনের। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ট্রাম্পের কাছে ফেডারেল সহায়তা চেয়েছেন রাজ্যের গভর্নর। এদিকে, একটানা বজ্রপাতের পর দাবানলের আগুনে পুড়ছে পশ্চিম প্যাসিফিক অঞ্চল। এছাড়াও অন্তত ১৫ অঙ্গরাজ্যে সক্রিয় আছে ৬৮টি বড় ধরনের দাবানল।

প্রকৃতির ভয়ংকর রূপ দেখছে যুক্তরাষ্ট্র। বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ার আগেই রাতারাতি দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে প্যাসিফিক নর্থ ইস্ট অঞ্চলে। ১৫ অঙ্গরাজ্য, জ্বলছে ৬৮টি দাবানল। দক্ষিণে যখন বন্যা আতঙ্ক, পশ্চিমে তখন আগুনের লেলিহান শিখা।

ন্যাশনাল ইন্টারএজেন্সি ফায়ার সেন্টারের তথ্য, একটানা বজ্রপাতের পর প্যাসিফিক নর্থওয়েস্টে প্রায় ১৭টি নতুন দাবানলের সূত্রপাত হয়েছে, এ মুহূর্তে এটিই যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে সক্রিয় দাবানল অঞ্চল।

আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন ১৭ হাজারের বেশি দমকল কর্মী। মোতায়েন করা হয়েছে ১৪০টি হেলিকপ্টার, ৪টি সামরিক সি-১৩০ এয়ার ট্যাঙ্কার ক্রু। আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য, মাউন্ট ওয়েস্টে কম তুষারপাত ও শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে আগস্টের আগেই দাবানলের কবলে পড়লো এলাকাটি।

আরও পড়ুন:

রয়টার্সের তথ্য, চলতি বছর যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ১৫ দশমিক ১ লাখ হেক্টর এলাকা পুড়ে গেছে, যা গত বছরের জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময়ের চেয়ে ১০ লাখ বেশি।

এদিকে, টানা তৃতীয় দিনের মতো টেক্সাসের হিল কাউন্টিতে করে বাড়ছে বন্যার পানি। গতকাল (শুক্রবার, ১৭ জুলাই) পর বৃষ্টিপাত কমার পূর্বাভাস দেয়া হলেও পরিস্থিতির এখনও কোনো উন্নতি হয়নি। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) থেকে টেক্সাসের কয়েকটি এলাকায় ২৭ ইঞ্চিরও বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

এছাড়াও পানিবন্দি এলাকা থেকে এখনও পর্যন্ত ৫ শতাধিক মানুষকে উদ্ধার করেছে প্রশাসন। অভিযানে যুক্ত হয়েছেন স্থানীয়রাও। গুয়াদালুপসহ স্থানীয় নদীগুলোর পানি বাড়তে থাকায় উদ্ধার তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে।

এমন প্রেক্ষাপটে ট্রাম্পের কাছে ফেডারেল সহায়তা চেয়ে চিঠি দিয়েছেন গভর্নর গ্রেগ অ্যাবট। পাশাপাশি এ পরিস্থিতিকে ভয়াবহ দুর্যোগ আখ্যা দিয়ে একটি সংবাদ সম্মেলনও করেছেন তিনি।

জেআর