দ্বিতীয় দফায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে ডোনাল্ড ট্রাম্প যেন বিশ্ব রাজনীতির সেন্টার অফ এট্রাকশন। অভ্যন্তরীণ ইস্যু থেকে শুরু করে অন্যান্য দেশের টানাপড়েন, তার হস্তক্ষেপ যেন সবখানেই। বাদ নেই নিজ দেশের অভিবাসন নীতিও। ট্রাম্প একদিকে যেমন কিছু অভিবাসীদের কঠোর নিয়মের মধ্যে ফেলছে, অন্যদিকে কেউ কেউ পাচ্ছে নানা সহায়তা।
এমন পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বিদেশি অভিবাসীদের কত শতাংশ সরকারি সহায়তা দেওয়া হয়, সেটির একটি তালিকা প্রকাশ করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সামাজিকমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ১২০টি দেশ ও অঞ্চলের তালিকা প্রকাশ করেছেন ট্রাম্প। যেখানে বাংলাদেশের অবস্থান ১৯তম। ট্রাম্পের তথ্য মতে, দেশটিতে যত বাংলাদেশি পরিবার থাকে তাদের ৫৪ শতাংশেরও বেশি সরকারি সহায়তা নেন।
তালিকায় বাংলাদেশ ছাড়াও পাকিস্তান, চীন, মিয়ানমার ও ভুটানের নাম রয়েছে। তবে এতে ভারতের নাম নেই। ভারতের নাম কেন রাখা হয়নি সেটি স্পষ্ট নয়। তবে ১২০টি দেশের এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছে এশিয়ারই একটি দেশ ভুটান।
আরও পড়ুন:
তালিকা অনুযায়ী, ভুটান থেকে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসী হওয়া পরিবারগুলোর ৮১ দশমিক ৪ শতাংশই মার্কিন সরকারের সহায়তা নেয়। এরপর রয়েছে ইয়েমেন, যেখানে এই হার ৭৫ দশমিক দুই শতাংশ। আর সোমালিয়ার ৭১ দশমিক ৯ শতাংশ পরিবার সরকারি এই সহায়তার ওপর নির্ভরশীল।
এশিয়ার অন্যান্য দেশের মধ্যে আফগানিস্তান তালিকার ষষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে। যেখানে ৬৮ দশমিক ১ শতাংশ পরিবার সরকারি সহায়তা নেয়। তালিকায় পাকিস্তানি অভিবাসী পরিবারগুলোর ক্ষেত্রে সরকারি সহায়তা নেওয়ার হার দেখানো হয়েছে ৪০ দশমিক দুই শতাংশ। আর চীনা অভিবাসী পরিবারগুলোর ক্ষেত্রে এই হার ৩২ দশমিক ৯ শতাংশ।
তবে সরকারি সহায়তার এমন তালিকা প্রকাশ করলেও, ট্রাম্প প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে বিভিন্ন খাতে অনুদান কমানোর উদ্যোগ ও অভিবাসীদের জন্য দেশটিতে বসবাস আরও কঠিন করে তুলতে নিয়েছে পদক্ষেপ।





