গতকাল (সোমবার, ৮ জুন) ইরান- ইসরাইল পাল্টাপাল্টি হামলা ঘিরে নতুন করে যুদ্ধ শুরুর যে শঙ্কা তৈরি হয় মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে, তা প্রশমিত হয় দুই দেশের আপাতত যুদ্ধ থেকে সরে আসার ঘোষণার পর।
কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যে ড্রোন- ক্ষেপণাস্ত্রসহ আধুনিক মারণাস্ত্রের ঝনঝনানি কিছুটা বন্ধ হলেও থেমে নেই কথার লড়াই। আজ (মঙ্গলবার, ৯ জুন) ক্যারোলিনিয়ায় একটি নির্বাচনি জনসভায় যোগ দিয়ে ট্রাম্প দাবি করেন, আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে ইরানের বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ বিজয় ঘোষণা করবে যুক্তরাষ্ট্র।
এছাড়াও চুক্তির জন্য ইরান মরিয়া বলেও ফের দাবি করেন ট্রাম্প। আর যুক্তরাষ্ট্র- ইরান শান্তিচুক্তি হলে জ্বালানির দাম ব্যাপকহারে কমবে বলেও আশাবাদী ট্রাম্প।
এদিকে, অ্যাক্সিওসকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহুকে সতর্ক করে ট্রাম্প বলেন, ইরানে হামলা অব্যাহত রাখলে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বেন ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী।
অন্যদিকে, ইরান চুক্তির ব্যাপারে আশাবাদী মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও। তার দাবি, ইরানের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে নিজেদের লক্ষ্য অর্জনে ভালো অবস্থানে আছে যুক্তরাষ্ট্র। এছাড়াও, আলোচনায় ইরান প্রাসঙ্গিক প্রস্তাব দিচ্ছে বলেও দাবি ভ্যান্সের।
এদিকে, ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার বাঘের গালিবাফের অভিযোগ, যুদ্ধবিরতি বা সংলাপ কিছুই চায় না যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে নয়, বরং যুদ্ধ শেষ করার লক্ষ্যে ইরান আলোচনা চালাচ্ছে। তবে, পারস্পরিক আস্থা ও অবিশ্বাস আলোচনায় অন্যতম বড় বাধা বলছেন ইরানের এক আইনপ্রণেতা।
এদিকে সোমবারের সংঘাতের পর ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে ইরানের বিমানবন্দরের কার্যক্রম। অন্যদিকে ইরানের হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করে লেবাননে হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরাইল। ঝরছে নতুন নতুন প্রাণ। বিপরীতে আইডিএফকে লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালাচ্ছে হিজবুল্লাহ।
এছাড়াও, হুতি বিদ্রোহীদের ছোঁড়া ড্রোন ভূপাতিতের দাবি করেছে ইসরাইলের সেনাবাহিনী।





