গাজার পর লেবাননেও ‘নিষিদ্ধ সাদা ফসফরাস’ ব্যবহারের অভিযোগ ইসরাইলের বিরুদ্ধে

লেবাননেও নিষিদ্ধ ‘সাদা ফসফরাস’ ব্যবহার
লেবাননেও নিষিদ্ধ ‘সাদা ফসফরাস’ ব্যবহার | ছবি: বিবিসি
0

গাজার পর এবার লেবাননেও রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার করছে ইসরাইল। হিউম্যান রাইটস ওয়াচের দাবি, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর লেবাননের একটি গ্রামে ছোড়া বোমায় নিষিদ্ধ ‘সাদা ফসফরাস’ ব্যবহার করেছে আইডিএফ সেনারা।

যুদ্ধ শুরুর পর লেবাননের হিজবুল্লাহ ছাড়া উল্লেখযোগ্য আর কোনো অক্ষশক্তিকে পাশে পায়নি ইরান। তাই কৌশলগত কারণে যুদ্ধের দ্বিতীয় দিন থেকেই লেবাননের দক্ষিণ প্রান্ত ও রাজধানী বৈরুতে তাণ্ডব চালাচ্ছে ইসরাইলি সেনারা। একের পর এক বেসামরিক স্থাপনা গুড়িয়ে দিয়ে সাড়ে ৪ লাখ মানুষকে ঘরছাড়া করেছে আইডিএফ।

কিন্তু এখানেও আন্তর্জাতিক আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার করছে ইসরাইল। এমন অভিযোগ এসেছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের প্রতিবেদনে। আজ (সোমবার, ৯ মার্চ) ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হচ্ছে, গত ৩ মার্চ দক্ষিণ লেবাননের সীমান্ত এলাকা ইয়োহমোরের একটি আবাসিক এলাকায় সাদা ফসফরাস নিক্ষেপ করেছে ইসরাইল।

আরও পড়ুন:

এইচআরডব্লিউ এ হামলার ৭টি ছবি যাচাই করে দাবি করছে, এ এলাকায় হামলার সময় এয়ারবার্স্ট হোয়াইট ফসফরাস অর্থাৎ বাতাসে বিস্ফোরিত হয় এমন সাদা ফসফরাস ভরা গোলা বারুদ ব্যবহার করেছে আইডিএফ।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাদা ফসফরাস বিস্ফোরণের পর সেই আগুনে দাহ্য হলে, কয়েকগুণ বেশি যন্ত্রণাদায়ক ক্ষত তৈরি হয়। মৃত্যুও হতে পারে খুব দ্রুত। মূলত কামানের গোলা, সাধারণ বোমা, এবং রকেটের ওয়ারহেডের মাধ্যমে ছড়ানো হয় এ সাদা ফসফরাস। অক্সিজেনের সংস্পর্শে এলে এটি খুব তাড়াতাড়ি জ্বলে ওঠে।

আন্তর্জাতিক মানবিক আইন অনুযায়ী, জনবহুল এলাকায় সাদা ফসফরাসের ব্যবহার বেআইনি এবং অমানবিক। যুদ্ধে বেসামরিক ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে যে ধরনের সতর্কতার আইনি বাধ্যবাধকতা আছে তা এই রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহারকে সরাসরি প্রশ্নবিদ্ধ করে।

এর আগে, ফিলিস্তিনের গাজায়ও এ রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার করেছিল ইসরাইল। তুরস্কের গণমাধ্যম টিআরটি এ নিয়ে একাধিক প্রতিবেদন করেছে।

জেআর