ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যৌথ আক্রমণের পর যুদ্ধ ছড়িয়েছে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে। আক্রান্তের পর ইরান প্রায় ১০টি দেশে মার্কিন ঘাঁটিসহ দূতাবাসেও হামলা করেছে। আর ইসরাইল ইরান ছাড়াও লেবাননে হামলা চালাচ্ছে। সবমিলিয়ে ১৪টি দেশ জড়িয়ে পড়েছে ভয়ংকর যুদ্ধে।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের এমন কর্মকাণ্ডে আপত্তি ন্যাটো জোটের অন্যতম বড় অংশীদার কানাডার। দেশটির রাজনীতিকরা বলছেন, আলোচনা না করে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনিকে হত্যা করা মানবাধিকার লঙ্ঘন। যাতে ক্ষোভ আরও বেড়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্টের ওপর।
আরও পড়ুন:
কানাডার লিবারেল পার্টি সদস্য আহসান হাবিব বলেন, ‘কানাডা বরাবরই শান্তি চায়। তারা যুদ্ধ চায় না। যদিও কানাডা সব সময় যুক্তরাষ্ট্রকে সমর্থন দিয়ে আসছে।’
যদিও কানাডা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের নীতির সঙ্গে অনেকটাই এক সুরে। তবে সরাসরি সামরিক অংশগ্রহণ করা হবে না- এমন ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি।
ইরান হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীলতা ও সন্ত্রাসের মূল উৎস। অটোয়া বারবার বলেছে, তেহরানকে কখনই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের সুযোগ দেয়া যাবে না। তবে নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক চ্যানেলগুলো কার্যকর করার ওপর জোর দিয়েছে অটোয়া।
কানাডার অনেক নীতিনির্ধারক ও বিশ্লেষক মনে করেন সরকারের এ অবস্থান আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল নয়, কিছু পর্যবেক্ষক এটিকে কানাডা-আমেরিকা সম্পর্কের দীর্ঘমেয়াদি সমর্থনের লক্ষণ হিসেবেও দেখছেন।
এদিকে আয়াতুল্লাহ খামেনির মৃত্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের মতো কানাডার বিভিন্ন শহরে উল্লাস করতে দেখা গেছে ইরানি অভিবাসীদের।





