৫ বছরে পা রাখতে যাচ্ছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। দীর্ঘ সময়ের যুদ্ধে একদিনের জন্যও হামলা বন্ধ করেনি দুই পক্ষ। চলমান শান্তি আলোচনার মধ্যেও চলছে পাল্টাপাল্টি হামলা। সোমবার ইউক্রেনের জ্বালানি স্থাপনাসহ বিমান প্রতিরক্ষা ইউনিট, ক্ষেপণাস্ত্র ও ৫ শতাধিক ড্রোন ধ্বংসের দাবি করেছে মস্কো। এদিকে, নতুন দখলের কথা জানিয়েছেন ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনীর কমান্ডার।
ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট ভোলোদিমির জেলেনস্কি দাবি করেছেন, যুদ্ধের লক্ষ্য অর্জন করতে পারেননি পুতিন। ইউক্রেনীয়রা আরও শক্তিশালী হয়ে দেশকে রক্ষা করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ইউক্রেনে এসে যুদ্ধের প্রকৃত চিত্র দেখার আহ্বান জেলেনস্কির। তার মতে, নিজের চোখে না দেখলে ইউক্রেনের সংগ্রাম কেউ বুঝবে না।
যুদ্ধের ৪ বছর পূর্তি ঘিরে নিহত রুশ সেনাদের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এ সময় তিনি বলেন, দেশ রক্ষায় যারা প্রাণ দিয়েছে তাদের পাশে আজীবন থাকবে রুশ সরকার।
আরও পড়ুন:
দীর্ঘ যুদ্ধে ক্ষয়ক্ষতির চিত্র তুলে ধরেছে মার্কিন সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপ। তাদের তথ্য মতে, যুদ্ধে ইউক্রেনের তুলনায় রাশিয়ার হতাহত ও নিখোঁজ সেনাদের সংখ্যা বেশি। দুই দেশেই হতাহতে সংখ্যা প্রায় ২০ লাখ।
ইউক্রেনের পাশে দাঁড়িয়ে সমর্থন জানিয়ে আসছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। তবে রাশিয়ার ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপে ব্যর্থ হয়েছে এই জোট। ইউক্রেন দ্রুজবা পাইপলাইনে তেল সরবরাহ বন্ধ রাখায় বেকে বসে হাঙ্গেরি ও স্লোভাকিয়া। অবশেষে হাঙ্গেরির ভেটোতে ভেস্তে যায় ১০৬ বিলিয়ন ডলারের ঋণ সহায়তা প্যাকেজ।
তবে যুদ্ধ যে এত দীর্ঘায়িত তা কল্পনাও করেনি ইউক্রেনবাসী। তাদের ধারণা রাশিয়া অনেক দিনের প্রস্তুতি নিয়েই যুদ্ধের ময়দানে নেমেছে। এখন দুই পক্ষের আলোচনার মাধ্যমে যুদ্ধ বন্ধ করে শান্তি ফেরানোর কোনো সম্ভাবনার বিষয়েও সন্দিহান ইউক্রেনের বাসিন্দারা।





