৭৬ বছর বয়সী এ ধনকুবের দুর্নীতির অভিযোগে এক বছরের কারাদণ্ড পেয়েছিলেন। সেই দণ্ডের আট মাস পার হওয়ার পর বিশেষ শর্তাধীনে মুক্তি পেলেন তিনি।
বাকি চার মাস কারাগারের বাইরে থাকার অনুমতি পেলেও তাকে সারাক্ষণ একটি ইলেকট্রনিক নজরদারি যন্ত্র পরে থাকতে হবে।
ব্যাংককের কারাগারের বাইরে নেতাকে বরণ করে নিতে হাজারো সমর্থক জমায়েত হন। তারা কারাগার প্রাঙ্গণে ‘আমরা থাকসিনকে ভালবাসি’ শ্লোগানে মুখরিত করে তোলেন। কারাগার থেকে বের হয়ে এসে পরিবারের সদস্যদের আলিঙ্গন করেন থাকসিন।
থাকসিনের বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি ফৌজদারি মামলা চলছে। যার ফলে, আপাতত তিনি পাদপ্রদীপের আলো থেকে দূরেই থাকবেন। এমনটাই মত দিয়েছেন বিশ্লেষকরা।
গাড়ির পেছনের জানালা খুলে গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশে থাকসিন বলেন, ‘আমি আট মাসের জন্য শীত নিদ্রায় ছিলাম।’
মুক্তি পেয়ে ‘স্বস্তি’ পেয়েছেন বলে জানান এই নেতা।
থাকসিনের দল ফেউ থাই পার্টি দেশটির সামরিক বাহিনী ও অভিজাত শ্রেণীর সমর্থনপুষ্ট রাজনৈতিক দলগুলোর বিপরীতে একটি সমীহ জাগানিয়া রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে টানা দুই দশক দেশের ক্ষমতায় ছিল।
সিনাওয়াত্রা পরিবার থেকে দেশটির চারজন প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতায় এসেছেন। থাইল্যান্ডের পল্লী অঞ্চলে পরিবারটি বিশেষ ভাবে জনপ্রিয়। তবে, গত ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ভরাডুবি হয় দলটির।
ইতিহাসে সবচেয়ে খারাপ ফল করে তৃতীয় স্থানে নির্বাচন শেষ করে ফেউ থাই পার্টি। এতে দলের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
তবে রক্ষণশীল প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুলের জোট সরকারের অংশীদার হয়ে দলটি আবারও আলোচনায় আসে।





