সিওলের কেন্দ্রীয় জেলা আদালতে যুক্তি-তর্ক শেষে এক প্রসিকিউটর জানান, ইউন ও তার সরকারের প্রাক্তন প্রতিরক্ষামন্ত্রীর যোগসাজশে ২০২৩ সালে একটি পরিকল্পনা করা হয়। যার লক্ষ্য ছিল সামরিক আইন জারি করে তাকে ক্ষমতায় রাখা।
আরও পড়ুন:
যদিও প্রসিকিউটরের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন ৬৫ বছরের ইউন। তার দাবি, প্রেসিডেন্ট হিসেবে সামরিক আইন জারির সাংবিধানিক ক্ষমতা রয়েছে তার।
দক্ষিণ কোরিয়ার আইন অনুযায়ী, ইওলের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হতে পারে। যদিও বিগত প্রায় তিন দশকে কোনো ফাঁসি কার্যকর হতে দেখেনি সিওল।





