বৃহস্পতিবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এ চুক্তি অনুমোদনের কথা জানায়। তবে ইউক্রেনের জরুরি প্রয়োজন সত্ত্বেও ক্ষেপণাস্ত্রগুলো এখনো উৎপাদনে না থাকায় তা হাতে পেতে ২০৩০-এর দশকের শুরু পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। কিয়েভ অবশ্য পেন্টাগনকে মার্কিন সেনাভান্ডার থেকে দ্রুত ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ এবং পরবর্তীতে নতুন উৎপাদনে তা পুষিয়ে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে।
কানাডা, জার্মানি ও নরওয়ের অনুদান এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের ইউক্রেন সাপোর্ট লোনের অর্থায়নে এ ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর দাম পরিশোধ করবে ইউক্রেন। যুক্তরাষ্ট্রের জাম্পস্টার্ট কর্মসূচির মাধ্যমে এ অস্ত্র কেনা হচ্ছে। এ চুক্তির মূল ঠিকাদার মার্কিন প্রতিরক্ষা প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান লকহিড মার্টিন।
সাম্প্রতিক সময়ে ইউক্রেনের জ্বালানি ও বেসামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা বাড়িয়ে দিয়েছে রাশিয়া। চলতি সপ্তাহে দিনিপ্রো শহরের একটি জনাকীর্ণ রেলওয়ে প্ল্যাটফর্মে রুশ ড্রোন হামলায় অন্তত ১৪ জন নিহত হন। এছাড়া কিয়েভসহ অন্যান্য অঞ্চলেও প্রাণঘাতী হামলা চালানো হয়। এর আগে প্রায় এক মাস ধরে মার্কিন অনুমোদনের অপেক্ষায় থাকার কথা জানিয়েছিলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।
রুশ তেল শোধনাগারে ইউক্রেনীয় হামলা বন্ধের বিষয়ে অনীহা এবং রাশিয়ার সঙ্গে মার্কিন ডিজেল চুক্তির কারণে এর আগে ওয়াশিংটন ও কিয়েভের সম্পর্কে কিছুটা টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল। এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে ইরান সংঘাতের কারণে মার্কিন সামরিক ভান্ডারে আকাশ প্রতিরক্ষাসহ বিভিন্ন অস্ত্রের মজুদ কমে যাওয়ায়, প্রতিরক্ষা ঠিকাদারদের উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর তাগিদ দিয়ে আসছে পেন্টাগন।





