এক্সে দেয়া পোস্টে তিনি বলেন, ‘ইতিহাসের যেকোনো প্রশাসনের তুলনায় ট্রাম্প প্রশাসন দ্রুতগতিতে বেশি ভিসা বাতিল করেছে। ভিসা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত বিদেশিরা আইন ভঙ্গ করলে, প্রতারণা করলে বা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করলে তাদের বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’
প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ভিসা বাতিলের সংখ্যা দ্রুত বেড়েছে। গত ১০ আগস্ট পররাষ্ট্র দফতর জানিয়েছিল, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদ শুরু হওয়ার পর থেকে ১ লাখ ৭৫ হাজারের বেশি ভিসা বাতিল করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অভিবাসনবিরোধী অভিযান ও বহিষ্কার কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। তবে অধিকারকর্মীদের অভিযোগ, এসব পদক্ষেপে আইনি প্রক্রিয়া ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিশেষ করে জাতিগত সংখ্যালঘুদের মধ্যে বর্ণগত পরিচয়ের ভিত্তিতে হয়রানির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।’
এদিকে, বিদেশি বিক্ষোভকারীদের বহিষ্কারের পাশাপাশি অভিবাসী ও ভিসাপ্রার্থীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যাচাইও কঠোর করেছে ট্রাম্প প্রশাসন।
অধিকারকর্মীদের অভিযোগ, জাতীয় নিরাপত্তার কথা বলে সরকার সমালোচকদের লক্ষ্যবস্তু করছে। এ ছাড়া, প্রতারণার কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা দেখিয়ে মিনেসোটার সোমালি-আমেরিকান সম্প্রদায়ের মতো বৃহত্তর অভিবাসী জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।





