জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের ফাঁকে কাতারের মধ্যস্থতায় দুই দেশের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা চলছে। নিউ ইয়র্কে অবস্থানরত ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানান, কৌশলগত হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালুর বিষয়ে দেয়া সাত দিনের প্রস্তাব নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক জবাবের অপেক্ষায় রয়েছেন তারা। তবে মার্কিন প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিতে সুনির্দিষ্ট অগ্রগতি না হলে ওয়াশিংটন কোনো চুক্তি করবে না।
যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দর ওঠানামা করায় মার্কিন শেয়ারবাজার ও বন্ডে মন্দা দেখা দিয়েছে। তেলের রেকর্ড দাম সামলাতে যুক্তরাষ্ট্রে ডিজেল রপ্তানি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার কথা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে ট্রাম্প প্রশাসন। এদিকে হরমুজ প্রণালি অবরুদ্ধ থাকায় বিকল্প হিসেবে ড্রোন হামলার মুখোমুখি হওয়া সত্ত্বেও নিজেদের পূর্ব-পশ্চিম ক্রুড অয়েল পাইপলাইন দিয়ে পুনরায় তেল সরবরাহ শুরু করেছে সৌদি আরব।
মার্কিন কড়াকড়ির কারণে চরম সংকটে পড়েছে ইরানের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতি ও উড়োজাহাজ খাত। চরম মূল্যস্ফীতি ও বিমান চলাচল বন্ধ থাকায় দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। খোলাবাজারে মার্কিন ডলারের বিপরীতে ইরানি মুদ্রার (রিয়াল) মান নেমেছে ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে। এছাড়া যুক্তরাজ্যের আরএএফ ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটির কাছে বিস্ফোরক সন্দেহে গ্রেপ্তার হওয়া পাঁচজনকে জামিনে মুক্তি দিয়েছে ব্রিটিশ কাউন্টার টেররিজম পুলিশ। ওই ঘটনার সঙ্গে ইরানের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে তেহরান।





