যুক্তরাষ্ট্র-চীন বৈঠক: শুল্ক ছাড় ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে সংলাপে সম্মত উভয়পক্ষ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং | ছবি: সংগৃহীত
0

চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ওয়াশিংটন সফর শেষে উভয় দেশের ৩০ বিলিয়ন ডলার সমমূল্যের পণ্যে শুল্ক কমাতে এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ে সংলাপে বসতে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন। গত শুক্রবার সফর সমাপ্তির পর হোয়াইট হাউস ও চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পৃথক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

হোয়াইট হাউসের বিবৃতিতে বলা হয়, উভয় পক্ষের অসংবেদনশীল ৩০ বিলিয়ন ডলারের পণ্যে পরস্পরকে সুবিধাজনক শুল্ক সুবিধা দেয়ার সুপারিশে ঐকমত্যে পৌঁছেছে দুই দেশ। এর আওতায় মার্কিন কৃষি পণ্য, কাঠ ও প্রসাধনী সামগ্রী যেমন ছাড় পাবে, তেমনি যুক্তরাষ্ট্রে আমদানিকৃত চীনা ছোট ইলেকট্রনিক জিনিসপত্র, খেলনা ও সাজসজ্জার সামগ্রীতে শুল্ক কমবে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে শি জিনপিংয়ের তিন দিনব্যাপী এই বৈঠক শেষে শনিবার শি জিনপিং বেইজিংয়ে পৌঁছান বলে জানায় দেশটির সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া। শুল্কছাড় সংক্রান্ত চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছাতে বাণিজ্যবিরতির মেয়াদ আরও দুই মাস বাড়ানো হয়েছে বলে জানান যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট।

বৈঠক প্রসঙ্গে চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বলেন, ‘এই সফর চীন-যুক্তরাষ্ট্র গঠনমূলক ও স্থিতিশীল সম্পর্ককে সমৃদ্ধ করেছে এবং দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন অধ্যায় খুলে দিয়েছে।’

প্রযুক্তি খাতের ঝুঁকি ও সম্ভাবনা মূল্যায়নে উভয় দেশ নিয়মিত সংলাপে বসতে রাজি হয়েছে, যার পরবর্তী পর্ব আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠিত হবে। উভয় নেতাই সাধারণ এআই শব্দের পরিবর্তে ‘সুপার ইন্টেলিজেন্স’ পরিভাষাটি ব্যবহারে সম্মত হয়েছেন। এ ছাড়া মধ্যপ্রাচ্য ইস্যুতে উভয় দেশ একমত হয়েছে যে, ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার প্রতিশ্রুতি মেনে চলা উচিত এবং কোনো দেশেরই আন্তর্জাতিক জলপথে একক টোল বা কর আরোপ করা উচিত নয়।

এএম