গত ৮ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত এই জরিপে বিশ্বজুড়ে রেকর্ড ৯১টি দেশ ও অর্থনীতির শিক্ষা ব্যবস্থা অংশ নেয়। সিঙ্গাপুরের ১৫৭টি স্কুলের ১৫ বছর বয়সী ৬ হাজার ৫৫১ জন শিক্ষার্থীর ওপর এই অ্যাসেসমেন্ট চালানো হয়। সামগ্রিকভাবে বিজ্ঞান ও গণিতে শীর্ষ স্থান অর্জন করেছে চীন, আর রিডিংয়ে শীর্ষে উঠে এসেছে সিঙ্গাপুর। সেরা ১০টি দেশের তালিকায় আরও রয়েছে এস্তোনিয়া, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ম্যাকাও, তাইওয়ান ও যুক্তরাজ্য।
পিসার এবারের মূল্যায়নের প্রধান বিষয় ছিল বিজ্ঞান। এর পাশাপাশি বর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষার্থীদের ডেটা বিশ্লেষণ, যৌক্তিক চিন্তাভাবনা ও সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা যাচাই করতে ‘কম্পিউটেশনাল প্রবলেম সলভিং’ বিভাগটি অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ওইসিডিভুক্ত দেশগুলোতে সামগ্রিকভাবে বিজ্ঞান, গণিত ও রিডিংয়ে শিক্ষার্থীদের গড় পারফরম্যান্স এ যাবৎকালের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) যুগে তথ্য যাচাই ও সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনার মতো জরুরি দক্ষতাগুলোতে আন্তর্জাতিকভাবে অবক্ষয় দেখা গেছে।
সিঙ্গাপুরের শিক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, জটিল বাস্তব সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে দেশটির অর্ধেকের বেশি শিক্ষার্থী শীর্ষ পর্যায়ের দক্ষতা দেখিয়েছে। তবে ২০২২ সালের তুলনায় এবার দেশটির সেরা ও পিছিয়ে থাকা শিক্ষার্থীদের নম্বরের ব্যবধান কিছুটা বেড়েছে। আর্থসামাজিকভাবে পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের অতিরিক্ত সহায়তা দিয়ে এই ব্যবধান কমানোর উদ্যোগ অব্যাহত রাখা হবে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।





