ফ্রান্সে রাষ্ট্রীয় সফররত প্রেসিডেন্ট লি যৌথ সংবাদ সম্মেলনে জানান, আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার অংশ হিসেবে হরমুজের পরিস্থিতি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে কথা হয়েছে। জলপথটিতে আন্তর্জাতিক নৌ চলাচল সহজ রাখা এবং বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল দ্রুত স্থিতিশীল করতে যৌথভাবে কাজ করতে সম্মত হয়েছে দুই দেশ।
দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা উই সং-লাক জানান, বৈঠকে সেনা পাঠাতে বাধ্য করার বদলে আন্তর্জাতিক নৌনিরাপত্তা জোরদারে তারা কীভাবে ভূমিকা রাখতে পারেন, সে বিষয়ে কথা হয়েছে। সিউল এখনো তাদের সম্ভাব্য উদ্যোগগুলো পর্যালোচনা করে দেখছে এবং কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি।
হরমুজ প্রণালি দক্ষিণ কোরিয়ার জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত সংবেদনশীল। গত বছর দেশটি তাদের প্রয়োজনীয় অপরিশোধিত তেলের ৬১ শতাংশ এবং ন্যাপথার ৫৪ শতাংশই এই প্রণালি দিয়ে আমদানি করেছে। সম্প্রতি সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল ধাফরা বিমানঘাঁটিতে নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা খতিয়ে দেখতে একটি নিরীক্ষক দল পাঠিয়েছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়ার পরিধি সংকুচিত করেন। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের মধ্যে ওয়াশিংটনকে সামরিক সহায়তা না দেয়ার প্রতিক্রিয়ায় এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়। অন্যদিকে পারস্য উপসাগরে সিউলের সামরিক উপস্থিতি বা যেকোনো পদক্ষেপকে মার্কিন ‘আগ্রাসনে’ সহায়তা হিসেবে গণ্য করা হবে এবং এর প্রতিক্রিয়া মারাত্মক হতে পারে বলে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান।





