মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এক বিবৃতিতে জানায়, ‘প্রস্তাবিত এই অস্ত্র বিক্রির ফলে বর্তমান ও ভবিষ্যতের আঞ্চলিক হুমকি মোকাবিলায় সৌদি আরবের আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়বে, নিজ দেশের প্রতিরক্ষা জোরদার হবে এবং মার্কিন বাহিনী ও উপসাগরীয় অঞ্চলের অন্যান্য অংশীদারদের সামরিক ব্যবস্থার সঙ্গে সমন্বয় সহজ হবে।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘ন্যাটোর বহির্ভূত প্রধান এক সামরিক মিত্রের নিরাপত্তা জোরদার করার মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতির লক্ষ্য এবং জাতীয় নিরাপত্তার উদ্দেশ্যকে সহায়তা করবে।’
চলতি বছরের শুরুর দিকে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ সামরিক অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহী ও ইরানি বাহিনীর ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলার নিশানায় রয়েছে সৌদি আরব।
রিয়াদকে এসব বোমা ও সামরিক সরঞ্জাম দেয়ার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের আইনপ্রণেতাদের অনুমোদনের প্রয়োজন হবে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ইতোমধ্যে বিষয়টি দেশটির কংগ্রেসকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করেছে।





