ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন নৌ অবরোধ ও সামরিক অভিযানে অংশ নিয়েছিল প্রায় ৫ হাজার নৌসেনা ও মেরিন সদস্যবাহী এই রণতরি। দীর্ঘ সময় সাগরে থাকার কারণে জাহাজে ক্রুদের মানসিক চাপ ও প্রতিকূল পরিস্থিতির নানা খবর প্রকাশের মধ্যেই গত বুধবার জাহাজটি থাইল্যান্ডে নোঙর করে।
পারমাণবিক শক্তিচালিত এই রণতরি ও এর সঙ্গে থাকা অন্য যুদ্ধজাহাজের সেনারা থাইল্যান্ডে পাঁচ দিন অবস্থান করে বিশ্রাম নেবেন। ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ ৩-এর কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল রবার্ট ই লকরান এক বিবৃতিতে বলেন, ‘এই স্ট্রাইক গ্রুপ যা অর্জন করেছে তা সত্যিই ঐতিহাসিক। আমাদের প্রতিটি সদস্য যে অনন্য পেশাদারত্ব ও দক্ষতা দেখিয়েছে, তাতে আমি অত্যন্ত গর্বিত।’
রণতরি আব্রাহাম লিংকনের ডেকে অত্যাধুনিক এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টারের উপস্থিতি দেখা গেছে। দীর্ঘ অভিযানের কারণে রণতরিটির বহিরাংশে মরিচার দাগ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। এছাড়া কাছাকাছি শ্রী রাচা বন্দরে নোঙর করেছে গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার ফ্রাঙ্ক ই পিটারসেন জুনিয়র।
মার্কিন সেনাদের আগমনকে কেন্দ্র করে বন্দরসংলগ্ন পর্যটন শহর পাতায়ায় অর্থনৈতিক চাঞ্চল্যের আশা করছেন ব্যবসায়ীরা। সেনাদের যাতায়াতের সুবিধার্থে প্রায় ৪০টি বাস প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জানান পাতায়ার মেয়র পোরামেস নাগামপিচেস। তবে সেনাদের ওয়াটার স্পোর্টস, বাঞ্জি জাম্পিং ও বক্সিংসহ ঝুঁকিপূর্ণ বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশ নেয়ার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে।





