স্মার্টফোনের বাজারে শক্ত অবস্থান থাকলেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিতে প্রতিদ্বন্দ্বীদের চেয়ে পিছিয়ে থাকা অ্যাপলকে এগিয়ে নেয়ার গুরুদায়িত্ব এখন টার্নাসের কাঁধে। একই সঙ্গে পণ্যের জন্য চীনের ওপর নির্ভরতা বজায় রাখা এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন হোয়াইট হাউসের রাজনৈতিক চাপ সামাল দেয়ার মতো ভূরাজনৈতিক চ্যালেঞ্জও তাকে মোকাবিলা করতে হবে।
৫১ বছর বয়সী জন টার্নাস ২০০১ সালে অ্যাপলের ডিজাইন দলে যোগ দেন। পরে তিনি প্রতিষ্ঠানটির হার্ডওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট হন। অ্যাপলের আয়ের মূল উৎস আইফোনসহ অন্যান্য সব পণ্যের প্রকৌশল দলের নেতৃত্বে ছিলেন তিনি। দায়িত্ব নেয়ার এক সপ্তাহের মাথায় আগামী ৯ সেপ্টেম্বর অ্যাপলের বার্ষিক আয়োজনে প্রথম ফোল্ডেবল (ভাঁজযোগ্য) আইফোন উন্মোচনের মধ্য দিয়ে প্রকাশ্যে আসছেন তিনি।
বিদায়ী এক বার্তায় কর্মীদের উদ্দেশে টিম কুক লিখেছেন, ‘জন টার্নাসের মতো বিশ্ব বদলে দেয়ার পণ্য তৈরির কৌশল খুব কম মানুষেরই জানা রয়েছে।’
বিনিয়োগ সংস্থা ইয়র্কভিল আইভস অ্যান্ড কোম্পানির জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড্যান আইভস বলেন, ‘টিম কুক প্রতিষ্ঠানটিকে দারুণ শৃঙ্খলার মধ্যে রেখে গেছেন। কিন্তু এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে অ্যাপলের নতুন অবস্থান নির্ধারণ করতে হবে টার্নাসকে।’
প্রধান নির্বাহীর পদ ছাড়লেও টিম কুক অ্যাপল পর্ষদের নির্বাহী চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি মূলত বিশ্বজুড়ে নীতিনির্ধারক ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের দিকগুলো দেখভাল করবেন, যার ফলে টার্নাস পণ্যের উদ্ভাবন ও প্রযুক্তির উন্নয়নে পুরোপুরি মনোযোগ দিতে পারবেন।





