কলকাতার নিউমার্কেট এলাকা মিনি বাংলাদেশ নামে পরিচিত। মূলত বাংলাদেশি পর্যটক ও অতিথিদের কেন্দ্র করেই গড়ে উঠেছে কয়েকশো হোটেল ও গেস্টহাউজ। কলকাতায় চিকিৎসার উদ্দেশ্যে যাওয়া বেশিরভাগ বাংলাদেশিরই গন্তব্য এসব হোটেল।
কলকাতার বেশ কয়েকটি বাণিজ্যিক এলাকায় সড়কের পাশে একেকটি বহুতল ভবনে গড়ে উঠেছে একাধিক হোটেল। প্রায় প্রতিটি তলায় নামে বেনামে চলছে বিভিন্ন হোটেল ও গেস্ট হাউজের কার্যক্রম। ঘিঞ্জি ও অনিরাপদ পরিবেশে বছরের পর বছর ধরে চলছে এসব হোটেলের কার্যক্রম।
বেশিরভাগ হোটেলের প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ সংকীর্ণ। নেই পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা। অগ্নিকাণ্ড বা কোনো ধরনের দুর্ঘটনা ঘটলে নিরাপদে ভবনগুলোর ভেতরে থেকে বের হওয়া মুশকিল হয়ে দাঁড়ায়। অভিযোগ রয়েছে, অনেকে হোটেলের রুমের সংখ্যা বাড়াতে পিলার কেটে জায়গা বাড়ানোয় দুর্বল হয়ে পড়েছে বহু ভবন।
পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা না থাকার পরও কীভাবে এসব পরিচালিত হচ্ছে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এছাড়াও, বেশকিছু হোটেলের লাইসেন্স নেই বলেও অভিযোগ রয়েছে। এমনকি হোটেল মালিকদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেয়ার নজিরও নেই।
এর আগে, গেল সোমবার রাজ্যের বীরভূম জেলার তারাপীঠের কাছে একটি হোটেলে আরও একটি অগ্নিকাণ্ডে মারা যান অন্তত ৮ জন। এর রেশ না কাটতেই এবার মির্জা গালিব স্ট্রিটের আবাসিক হোটেলের ভয়াবহ আগুনে প্রাণ গেল বেশ কয়েকজন বাংলাদেশির। দুই দিনের ব্যবধানে দুটি দুর্ঘটনা পশ্চিমবঙ্গের আবাসিক হোটেলের অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।





