ক্রেমলিনের প্রকাশিত ওই টেলিগ্রামে পুতিন বলেন, ‘আমাদের দুই দেশ সব ক্ষেত্রে সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করছে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে যৌথভাবে প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে।’ তিনি আশা প্রকাশ করেন, ‘রাশিয়া ও কোরিয়ার জনগণের কল্যাণে এবং আরও ন্যায়সঙ্গত ও সত্যিকারের গণতান্ত্রিক বিশ্বব্যবস্থা গড়ার স্বার্থে’ দ্বিপক্ষীয় ও আন্তর্জাতিক এজেন্ডার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে যৌথ কাজ অব্যাহত থাকবে।
২০২৪ সালের জুনে সর্বাত্মক কৌশলগত অংশীদারত্ব চুক্তি স্বাক্ষরের পর গত দুই বছরে মস্কো ও পিয়ংইয়ং তাদের রাজনৈতিক, সামরিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক উল্লেখযোগ্যভাবে সম্প্রসারণ করেছে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের পরাজয় এবং কোরীয় উপদ্বীপের ওপর জাপানের ৩৫ বছরের ঔপনিবেশিক শাসনের অবসানকে স্মরণ করে এই দিবস পালন করা হয়। এই দিনটি দক্ষিণ কোরিয়াতেও পালিত হয়।





