যুদ্ধের দামামা আবার বেজে উঠলো। গত মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালায় ইরান। আর তা কোনভাবেই মেনে নিতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র। বরং তেহরানের এমন অতর্কিত হামলার কঠিন জবাব দেয়া হবে বলে বুধবার হুঁশিয়ারি দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘ইরানের উপর খুব কঠিন আঘাত হানতে যাচ্ছি। কারণ এখন তাদের উপর আঘাত হানার পালা। তারা জানে এটা হতে চলেছে এবং মানাও করছে হামলা না চালাতে। কিন্তু দেশটির উপর খুব কঠিন আঘাত হানা হবে। একই সঙ্গে দু’দেশের মধ্যে চুক্তি হতে পারে কিনা সেটাও দেখা হবে।’
আর ট্রাম্পের এমন ঘোষণার পর স্থানীয় সময় আজ (বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই) মধ্যরাতে ইরানে একাধিক হামলা চালায় মার্কিন সামরিক বাহিনী-সেন্টকম। বন্দর আব্বাস, কিশ দ্বীপে, বুশেহর এবং ইরানের তেল শিল্পের কেন্দ্রস্থল খুজেস্তান প্রদেশের চারটি স্থানেও বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে।
এছাড়া কেশম দ্বীপে একটি আবাসিক ভবনে হামলা চালিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী-সেন্টকম। এতে প্রাণহানি হয়েছে একই পরিবারের তিন সদস্যের। এরই মধ্যে ইরানের ওপর হামলা শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছে সেন্টকম।
এদিকে, নতুন এ হামলার জবাবে জর্ডানে ৫ টি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় আইআরজিসি। তবে সফলভাবে তা প্রতিহত করা হয় বলে জানিয়েছে জর্ডানের সশস্ত্র বাহিনী। উদ্ভূত এ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালি আবারও বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে আইআরজিসি।
টেলিগ্রামে দেয়া এক পোস্টে তারা জানায়, যতদিন পর্যন্ত মার্কিন হুমকি ও হস্তক্ষেপ অব্যাহত থাকবে ততদিন পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে। এতে পরিস্থিতি আরও জটিল ও কঠিন হয়ে পড়বে বলে মন্তব্য করে বাহিনীটি। এছাড়া যেসব দেশ যুক্তরাষ্ট্রক সহায়তা করছে তাদেরকেও সমুচিত জবাব দেয়া হবে বলে সতর্ক করল আইআরজিসি।
এরই মধ্যে দুটি তেলবাহী ট্যাংকার হরমুজ প্রণালি পার হতে গেলে তাদের ফিরিয়ে দেয়া হয় বলে জানিয়েছে আইআরজিসি। এদিকে ফার্স নিউজ জানিয়েছে, ইরানের অনুমতি নিয়ে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে কাতার।





