ভারতের দিল্লির যন্তর-মন্তরে প্রতিদিনই জড়ো হচ্ছে হাজার হাজার শিক্ষার্থী। তাদের দিন-রাত কাটছে সমাবেশ স্থলেই। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত যন্তর মন্তর ছাড়বে না তারা।
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাদের সহায়তায় এগিয়ে আসছে সাধারণ মানুষ। নামে বেনামে তাদের জন্য পাঠাচ্ছে খাবার। বিনা পয়সার এসব খাবার বিভিন্ন ফুড় ডেলিভারির মাধ্যমে তাদের কাছে পৌঁছানো হচ্ছে। রান্না করা খাবারের পাশাপাশি রয়েছে নানা ধরনের প্যাকেটজাত খাদ্যও।
শিক্ষার্থীদের এই অবস্থান ঘিরে চায়ের দোকান খুলেছেন বহু মানুষ। কেউ ফল এনে তাদের মধ্যে বিলি করছে। এরইমধ্যে সমাবেশস্থলে খাবারের স্তূপ জমেছে। এমন অবস্থায় আর খাবার না পাঠাতে অনুরোধ জানিয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির নেতারা।
আরও পড়ুন:
তরুণদের পাশে দাঁড়িয়েছেন বহু শিল্পী, রাজনীতিবিদ, ক্রীড়াবিদ, অধিকার-কর্মীসহ বলিউডের অভিনেতা-অভিনেত্রী। শান্তিপূর্ণ আন্দোলন সহিংসতায় রূপ নেয়ায় দুঃখ প্রকাশ করে বলিউড সুপারস্টার সালমান খান শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। সামাজিক মাধ্যমে নিজের পুরনো ছবি শেয়ার করে বলেন, এই প্রজন্ম ভারতকে গর্বিত করবে।
এদিকে, আন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে দিল্লির সমাবেশস্থল যন্তর-মন্তরে উপস্থিত হন বলিউড অভিনেত্রী হুমা কুরেশি। তাকে স্বাগত জানায় ককরোচ জনতা পার্টি।
এছাড়াও তাদের সমর্থনে যন্তর মন্তরে আসেন ভারতের জনপ্রিয় চলচ্চিত্র নির্মাতা ও অভিনেত্রী শাবানা আজমী। শুধু বলিউড নয় তামিল সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা প্রকাশ রাজও তরুণদের আন্দোলনে একাত্মতা ঘোষণা করে হাজির হন সমাবেশে। তবে সশরীরে আসতে না পারলেও সামাজিক মাধ্যমে আন্দোলনে শরিক হয়েছেন অনেকে। যাদের মধ্যে অন্যতম নাসিরুদ্দিন শাহ, জিনাত আমান, অভয় দেওল, সোনাক্ষী সিনহাসহ আরও অনেকে।
এদিকে, আন্দোলন দমাতে সরকারের বিভিন্ন দমন-পীড়ন নিয়েও অভিযোগ উঠেছে। এমনকি নজরদারিতে রাখা হয়েছে আন্দোলনে অংশ নেয়া শিক্ষার্থীদের। তাদের চ্যাট, লোকেশন, মোবাইল ডাটা ও সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণে জন্য ২০টি আলাদা টিম গঠন করেছে দিল্লি পুলিশ।





