সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেয়া এক পোস্টে লেবাননের প্রেসিডেন্সি জানায়, আউন ওয়াশিংটনে বেশ কয়েকজন মার্কিন কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠক করবেন। এসব বৈঠকে লেবাননের বর্তমান পরিস্থিতি এবং ইসরাইলের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি আরও সুসংহত করার প্রচেষ্টা নিয়ে আলোচনা হবে।
লেবাননের কর্মকর্তারা জানান, আলোচনার মূল বিষয় হবে দেশটির অধিকৃত ভূখণ্ড থেকে ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার নিশ্চিত করা এবং সারা দেশে লেবানন সরকারের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় রোমে লেবানন ও ইসরাইলের মধ্যে ষষ্ঠ দফার আলোচনা শেষ হওয়ার পর এই সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
এর আগে গত ২৬ জুন যুক্তরাষ্ট্র ও লেবাননের মধ্যস্থতায় বৈরুত ও তেল আবিব একটি কাঠামো চুক্তিতে সই করে। এতে পর্যায়ক্রমে সব অধিকৃত লেবাননি ভূখণ্ড থেকে ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহারের কথা বলা হয়েছে। তবে এই প্রত্যাহারের জন্য কোনো সুনির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়নি। শর্ত হিসেবে বলা হয়েছে, ইসরাইল যে এলাকাগুলো ছেড়ে যাবে, সেখানে লেবাননের সেনাবাহিনীকে পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং হিজবুল্লাহসহ অন্য সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর অস্ত্র সমর্পণ করতে হবে।
লেবাননের সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২ মার্চ থেকে লেবাননে ইসরাইলি হামলায় ৪ হাজার ৩০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া আহত হয়েছেন অন্তত ১২ হাজার ২০০ জন।





