পশ্চিম আফ্রিকার এই দেশে ধারাবাহিক সমন্বিত হামলার সর্বশেষ ঘটনা হিসেবে গত ৪ জুলাই তুয়ারেগ বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন এফএলএ এবং আল-কায়েদা-সংশ্লিষ্ট জিহাদি গোষ্ঠী জেএনআইএমের যোদ্ধারা সাময়িকভাবে শহরটি দখলে নিয়েছিল।
গাওতে অবস্থানরত সামরিক একটি সূত্র এএফপিকে বলেন, ‘আনেফিস থেকে গাওয়ের উদ্দেশে রওনা হওয়া আমাদের সেনাবহরে আজ সকালে তাবানকোর্তের কাছে হামলা চালানো হয়েছে। লড়াই এখনো চলছে। এটি ছিল ওৎ পেতে থাকা হামলা।’ এফএলএর একটি সূত্রও এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে।
নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘সেনাবাহিনী বড় ধরনের ক্ষতির শিকার হয়েছে, যদিও বহরের বাকি অংশ যাত্রা চালিয়ে যেতে পেরেছে।’ স্থানীয় এক কর্মকর্তা যোগ করেন, ‘হতাহতের সংখ্যা অনেক।’
এফএলএর পাঠানো ছবিতে দেখা যাচ্ছে, বহু সেনা তাদের হাতে বন্দি রয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে। সাধারণ সামরিক সদর দপ্তরের প্রকাশ করা ১২ জুলাইয়ের সরকারি হিসাব অনুযায়ী, আনেফিসে সাম্প্রতিক তীব্র সংঘর্ষে মালির প্রায় ৩০ জন সেনা নিহত এবং প্রায় ৬০ জন আহত হয়েছেন।
গত ১০ জুলাই কয়েক দিনের তুমুল লড়াইয়ের পর মালির সেনাবাহিনী ও রুশ আধা সামরিক বাহিনী আফ্রিকা কোরের সদস্যরা আনেফিসের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পায়। ২০১২ সাল থেকে মালিতে চলা জিহাদি বিদ্রোহ নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছে দেশটি।
 coalition ride on the back of a pickup truck in Kidal-768x402.webp)




