খেরসনে রুশ ড্রোন হামলায় এক নারী নিহত এবং আরও ছয়জন আহত হয়েছেন। ইউক্রেনের সবচেয়ে বড় সমুদ্রবন্দর ওডেসায় পৃথক এক হামলায় নিহত হয়েছেন আরও একজন। ওডেসা সিটি মিলিটারি অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের প্রধান সেরহি লিসাক টেলিগ্রামে লিখেছেন, ‘আগ্রাসীরা বেসামরিক মানুষকে সন্ত্রস্ত করে চলেছে।’
কৃষ্ণ সাগর ও আজভ সাগরে শস্য রপ্তানির জন্য গুরুত্বপূর্ণ নৌপথগুলোতে সাম্প্রতিক সময়ে রাশিয়া ও ইউক্রেন উভয়ই ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা জোরদার করেছে।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত এক সপ্তাহে তাদের বাহিনী ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী ব্যবহার করছিল—এমন ২৪টি জাহাজে হামলা চালিয়েছে।
অন্যদিকে ইউক্রেনের ড্রোন বাহিনীর কমান্ডার রবার্ট ব্রোভদি দাবি করেছেন, শুক্রবার কৃষ্ণ সাগরে ১২টি রুশ জাহাজে হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। ইউক্রেনের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, লক্ষ্যবস্তু হওয়া জাহাজগুলোর মধ্যে দুটি ছিল রুশ তেলবাহী ট্যাংকার। এছাড়া ইয়ারোস্লাভল অঞ্চলের একটি রুশ তেল শোধনাগারেও হামলার দাবি করেছে কিয়েভ।
এদিকে প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির মন্ত্রিসভা পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে প্রতিরক্ষামন্ত্রী মিখাইলো ফেদোরোভকে অপসারণের সিদ্ধান্ত ঘিরে ইউক্রেনে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ হয়েছে।
৩৫ বছর বয়সী ফেদোরোভ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আধুনিকায়নের উদ্যোগ নিয়েছিলেন এবং ইউক্রেনের সাম্প্রতিক সামরিক সাফল্যের পেছনে তার অবদান রয়েছে বলে মনে করা হয়। তার অপসারণে ইউক্রেনের সামরিক নেতৃত্বের ভেতরের বিভাজন আরও স্পষ্ট হয়েছে।
পদত্যাগে বাধ্য হওয়ার পর ফেদোরোভ সেনাপ্রধান ওলেক্সান্দর সিরস্কির কঠোর সমালোচনা করেন। দীর্ঘদিনের বিরোধের কথা উল্লেখ করে তিনি প্রশ্ন তোলেন, সিরস্কির নেতৃত্বে ইউক্রেন আদৌ রাশিয়াকে পরাজিত করতে পারবে কি না।





